1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
কক্সবাজারে ৮০ শতাংশ মাদক আসে সাগরপথে: বিজিবি - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন কনা আপুর জন্য মার খেয়েছিলাম: নুসরাত ফারিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঝড় তুলতে প্রস্তুত যে পাঁচ তরুণ তারকা রয়টার্সকে তারেক রহমান : জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করবে না বিএনপি পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট বিএমইটি’র মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে অভিনন্দন জানালো বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করে দিলো সন্ত্রাসী মাতব্বর গ্রুপ নাটোরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনি শোভাযাত্রা

কক্সবাজারে ৮০ শতাংশ মাদক আসে সাগরপথে: বিজিবি

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৮ বার দেখা হয়েছে
কক্সবাজার শহরের বিজিবি সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদ।

কক্সবাজার প্রতিনিধি || মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক চোরাচালানের জন্য কক্সবাজার সীমান্ত প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদ।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার শহরের বিজিবি সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘‘নাফ নদী ও সাগরপথ হয়ে মহেশখালী, বাঁশখালী, কুতুবদিয়া, আনোয়ারা ও কুয়াকাটা দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করছে। ধারণা করা হয়, মোট মাদকের প্রায় ৮০ শতাংশ আসছে সাগরপথে। আগে এটি শুধু অনুমান ছিল, বর্তমানে ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টের মাধ্যমে এ রুট ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারির কারণে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার বাড়ছে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত। তবে দুর্গম ভূখণ্ড ও দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এ সীমান্তে নজরদারি কঠিন করে তুলেছে। গত ১৫ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত কক্সবাজার রিজিয়নের অধীনস্থ ব্যাটালিয়নসমূহ বিশেষ অভিযানে ২৮ লাখেরও বেশি পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮১৬ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ১৬৮ ক্যান বিয়ার, প্রায় ৩৬৬ লিটার বাংলা মদ এবং ২ কেজি ৪২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে।’’

তিনি জানান, এ সব অভিযানে ১৮৮ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮৯ কোটি টাকা।

তিনি আরো জানান, শুধু মাদক নয়, এ সময়ে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করেছে বিজিবি। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় এক নলা বন্দুক ৬টি, একে-৪৭ রাইফেল, এসএলআর, জি-৩ রাইফেল, বিদেশি রিভলবার ও গ্রেনেডসহ বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে। আটক হয়েছে ৫ জন অস্ত্রধারী আসামি। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের মূল্য ২২ লাখ টাকার বেশি।

বিজিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘‘সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদক ও চোরাচালান দমনে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’’

সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, রামু ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT