1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি: এক ফুট করে খুলে দেওয়া হলো বাঁধের গেট - দৈনিক প্রথম ডাক
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন কনা আপুর জন্য মার খেয়েছিলাম: নুসরাত ফারিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঝড় তুলতে প্রস্তুত যে পাঁচ তরুণ তারকা রয়টার্সকে তারেক রহমান : জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করবে না বিএনপি পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট বিএমইটি’র মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে অভিনন্দন জানালো বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করে দিলো সন্ত্রাসী মাতব্বর গ্রুপ নাটোরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনি শোভাযাত্রা

কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি: এক ফুট করে খুলে দেওয়া হলো বাঁধের গেট

রাঙামাটি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

রাঙামাটি প্রতিনিধি || উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং বৃষ্টিপাতের কারণে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট এক ফুট খুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ছয় ইঞ্চি থেকে বাড়িয়ে জলকপাটগুলো এক ফুট খুলে দেওয়া হয়। ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে। এ ছাড়া, বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে আরো ৩২ হাজার কিউসেক পানি নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে।

কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান বলেন, “কাপ্তাই হ্রদের পানি আবারো বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় সোমবার দুপুর পৌনে ৩টায় বাঁধের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। ওই সময় পানির স্তর ছিল ১০৮.৬৫ এমএসএল। গেট ৬ ইঞ্চি খোলা রাখার পরও উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় হ্রদে পানির স্তর বেড়ে দাঁড়ায় ১০৮.৮৮ এমএসএল। এই হ্রদের পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। ধারণ ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসায় ঝুঁকি এড়াতে বাঁধের গেটগুলো ৬ ইঞ্চি থেকে বাড়িয়ে এক ফুট পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “যে পরিমাণ পানি ছাড়া হচ্ছে তাতে জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বলতে পারি ৩ ফুট পর্যন্ত গেট খুললে বন্যার আশঙ্কা নেই, তবে এর বেশি হলে বন্যার আশঙ্কা থাকে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে, যেন তিন ফুটের বেশি যাতে খুলতে না হয়।”

মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমানে হ্রদের ইনফ্লো ও বৃষ্টিপাত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইনফ্লো বেশি হলে অর্থাৎ পানির লেভেল অপ্রত্যাশিতভাবে বৃদ্ধি পেলে স্পিলওয়ের (জলকপাট) গেট খোলার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT