1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
বন্যার পরে এবার রোগ-বালাইয়ের কবলে ইন্দোনেশিয়া - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

বন্যার পরে এবার রোগ-বালাইয়ের কবলে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ার পরে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের তামিয়াংয়ের আশেপাশের অঞ্চলের বাসিন্দারা এখন ক্রমবর্ধমান রোগ-বালাইয়ের সঙ্গে লড়াই করছেন। এলাকার একমাত্র হাসপাতালটিতে চিকিৎসাকর্মীদের অভাবে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। রবিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়-সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে গত সপ্তাহে আচেহসহ ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের তিনটি প্রদেশ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এই তিনটি এলাকার কমপক্ষে ৯৪০ জন নিহত হয়েছে এবং আরো ২৭৬ জন নিখোঁজ রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে জানিয়েছিল, ‘দুর্যোগের পরে পরিবেশ এবং থাকার জায়গাগুলো পুনরুদ্ধার হয়নি’ বলে ডায়রিয়া, জ্বর বা মায়ালজিয়া সহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

আচেহ তামিয়াংয়ের একমাত্র হাসপাতালে একজন রোগী এবং চিকিৎসা কর্মীরা রবিবার রয়টার্সকে রোগের অবনতি সম্পর্কে জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম কাদা দিয়ে ঢাকা ছিল, সিরিঞ্জ মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল এবং ওষুধ বন্যার পানি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

৪২ বছর বয়সী নার্স নুরহায়াতি জানান, ওষুধের অভাবে হাসপাতালটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসাকর্মীরা শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের ভেন্টিলেটরগুলো বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পানির তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেন্টিলেটরগুলোকে ঢেকে ফেলতে তারা ব্যর্থ হন। একটি শিশু মারা যায়, অন্য ছয়জন বেঁচে যায়, তিনি বলেন।

নৌকায় করে আচেহ তামিয়াং পৌঁছানোর পরে ডা. চিক এম. ইকবাল জানান, ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতুগুলোর কারণে চিকিৎসা কর্মীদের আচেহের আশেপাশে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৫ ডিসেম্বর জানিয়েছে, তিনটি প্রদেশের প্রায় ৩১টি হাসপাতাল এবং ১৫৬টি ছোট স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT