1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে জবি প্রশাসনে তালা, অনির্দিষ্টকালের অবরোধ - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন কনা আপুর জন্য মার খেয়েছিলাম: নুসরাত ফারিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঝড় তুলতে প্রস্তুত যে পাঁচ তরুণ তারকা রয়টার্সকে তারেক রহমান : জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করবে না বিএনপি পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট বিএমইটি’র মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে অভিনন্দন জানালো বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করে দিলো সন্ত্রাসী মাতব্বর গ্রুপ নাটোরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনি শোভাযাত্রা

নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে জবি প্রশাসনে তালা, অনির্দিষ্টকালের অবরোধ

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ বার দেখা হয়েছে

জবি প্রতিনিধি || নীতিমালায় বিশেষ বৃত্তি সংযোজন, অযৌক্তিক শর্ত বাতিল ও নীতিমালা পুনর্বিন্যাসসহ তিন দফা দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আস-সুন্নাহ প্রকল্পের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করেছেন।
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা ‘বৈষম্যমূলক বৃত্তি মানি না’, ‘প্রশাসনের প্রহসন মানব না’, ‘হল না প্রকল্প, প্রকল্প প্রকল্প’, এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন বৃত্তি নীতিমালায় আস-সুন্নাহ প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শফিক ইসলাম হাসিব বলেন, “প্রশাসনের দেওয়া আবাসন বৃত্তি থেকে আমাদের বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই বৈষম্য করা হলে আরো কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”

আরেক শিক্ষার্থী বখতিয়ার ইসলাম বলেন, “আমরা আগেই ভিসি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি এবং জানিয়েছি, তিন দফা দাবি না মানলে প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করা হবে। আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কর্মসূচি চলবে। কোনো চাপ বা ষড়যন্ত্র আমাদের আন্দোলন দমাতে পারবে না।”

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো; এক. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ‘মেধাবী’ প্রকল্পে থাকা শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতো আবাসন বৃত্তি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা; দুই. আবাসন বৃত্তিকে প্রয়োজনভিত্তিক করতে সিলেকশন মানদণ্ডে আরোপিত ৭০ শতাংশ উপস্থিতি ও সিজিপিএ-নির্ভর শর্ত বাতিল করা; তিন. রি-অ্যাডমিশন সংক্রান্ত শর্ত সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা।

এদিকে, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ‘মেধাবী’ প্রকল্প নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অরাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক বা আবাসিক হল হিসেবে বিবেচনা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির আহমদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব তথ্য উপাচার্যের দপ্তরে পাঠানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন একটি দাতব্য ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ‘মেধাবী’ প্রকল্পটি শুরু হয়। বর্তমানে এতে ৬৪৫ জন শিক্ষার্থী যুক্ত রয়েছেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে; যার ৯০ শতাংশ বহন করেছে ফাউন্ডেশন।
চিঠিতে আরো বলা হয়, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি, এআই, আইসিটি এবং নেতৃত্ব উন্নয়নসহ বিভিন্ন দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT