1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
কিশোরগঞ্জে বিজয় নিশান উড়েছিল ১৭ ডিসেম্বর - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

কিশোরগঞ্জে বিজয় নিশান উড়েছিল ১৭ ডিসেম্বর

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২১৮ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি || কিশোরগঞ্জ মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ হানাদার মুক্ত হয়েছিল। যেখানে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের বেশির ভাগ জায়গা শত্রুমুক্ত হয়, সারাদেশে যখন চলছিল বিজয়ের আনন্দ মিছিল- তখনো সেই বিজয়ের স্বাদ নিতে পারেনি কিশোরগঞ্জবাসী। সেদিনও কিশোরগঞ্জ শহর ছিল পাক দোসরদের শক্ত ঘাঁটি। তারা উড়াচ্ছিল পাকিস্তানের পতাকা, গুলিতে ঝরাচ্ছিল এ দেশেরই মানুষের রক্ত।

অবশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমনে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় স্থানীয় আলবদর-রাজাকারের দল। তারপর কিশোরগঞ্জে জয় বাংলা ধ্বনিতে ওড়ানো হয় বিজয় নিশান। সে মাহেন্দ্রক্ষণটি ছিল ১৭ ডিসেম্বর।

মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সারারাত মুক্তিযোদ্ধাদের সাঁড়াশি আক্রমণ ও গোলাগুলিতে বিনিদ্র রাত কাটান শহরতলির লোকজন। পরদিন সকালে কাঙ্খিত মুহূর্তটি আসে। চারদিক থেকে আক্রমণ করে ১৭ ডিসেম্বর সকাল ৯টা দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কিশোরগঞ্জ শহরে প্রবেশ করেন। তীব্র আক্রমনের মুখে রাজাকার-আলবদর বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। শহরের শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে তারা জমা দেয় অস্ত্র। নামানো হয় পাকিস্তানের পতাকা।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা উত্তোলন করেন স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। সেদিন পরাধীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার আনন্দে শামিল হন শান্তিপ্রিয় জনতা। স্বজন হারানোর ব্যথা ভুলে হাজারো মানুষ নেমে আসেন রাস্তায়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গণি জানান, ১৭ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় কমান্ডার কবীর উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটিদল শহরের পূর্ব দিক দিয়ে বিজয় ধ্বনি দিতে দিতে কিশোরগঞ্জ শহরে প্রবেশ করে। তারপর শহরের বিভিন্ন প্রবেশ পথ দিয়েও মুক্তিযোদ্ধারা দলে দলে শহরে আসতে থাকেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযানের খবরে মুক্তিকামী জনতাও উল্লাস করে স্বাধীনতার স্লোগান দিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।”

তিনি বলেন, “সামান্য লড়াইয়ের পরই পাকবাহিনীর দোসররা আত্মসমর্পণ করে। শহরের শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা অস্ত্র সমর্পণ করে। এভাবেই বিজয় দিবসের একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের আকাশে উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT