1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে মৌলভীবাজারের কাশিপুর চা-বাগানের শ্রমিকরা - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন কনা আপুর জন্য মার খেয়েছিলাম: নুসরাত ফারিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঝড় তুলতে প্রস্তুত যে পাঁচ তরুণ তারকা রয়টার্সকে তারেক রহমান : জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করবে না বিএনপি পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট বিএমইটি’র মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে অভিনন্দন জানালো বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করে দিলো সন্ত্রাসী মাতব্বর গ্রুপ নাটোরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনি শোভাযাত্রা

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে মৌলভীবাজারের কাশিপুর চা-বাগানের শ্রমিকরা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৩ বার দেখা হয়েছে
কাশিপুর টি এস্টেটের ব্যবস্থাপকের বাংলো। ছবি: সাগর আহমেদ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি || শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাশিপুর চা-বাগানে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ধর্মঘটের ডাক দেন শ্রমিকরা।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দৈনিক প্রথম ডাকের সঙ্গে কথা হয় কাশিপুর চা-বাগান পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি লছমন পাশির।

তিনি বলেন, ‘‘২০০১ সালে ১৪৫ একর জমির ওপর কাশিপুর চা-বাগান প্রতিষ্ঠা হয়। বাগানে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ১৩৮ জন শ্রমিক রয়েছেন। ২০১৭ সালে আইনি জটিলতায় শিল্পপতি রাগিব আলীর কাছ থেকে বাগানটি চা বোর্ডের অধীনে চলে যায়। তাদের সঙ্গে চুক্তি ছিল, কোনো শ্রমিক ছাঁটাই করবে না। কিন্তু সম্প্রতি অস্থায়ী ১২২ জন শ্রমিককে ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ এতগুলো শ্রমিককে ছাঁটাই করলে তারা কোথায় যাবেন। শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে। দাবি না মানা পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’’

শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে বাগানটি চা বোর্ডের অধীনে যাওয়া পর থেকেই শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানসহ মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন তারা। শ্রমিক ছাঁটাইসহ বিভিন্ন দাবিতে শুক্রবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছেন তারা।

কাশিপুর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক আশরাফুল হক বলেন, ‘‘ব্যয় কমানোর জন্য কর্তৃপক্ষ অন্য বাগান থেকে শ্রমিক এনে কাজ পরিচালনার চিন্তা করছে।’’

এ বিষয়ে জানতে চা বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও বাণিজ্য) ইয়াসমিন পারভিন তিবরিজির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT