1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
উবারের নতুন রোবট্যাক্সি : লুসিড ও নুরোর সঙ্গে যাত্রা শুরু - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন

উবারের নতুন রোবট্যাক্সি : লুসিড ও নুরোর সঙ্গে যাত্রা শুরু

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক || স্বয়ংচালিত গাড়ির প্রতিযোগিতায় নতুন ধাপ যোগ করল উবার। লুসিড মোটরস ও স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নুরোর সঙ্গে যৌথভাবে তারা উন্মোচন করেছে তাদের নতুন রোবট্যাক্সি।

২০২৬ সালের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শোতে (সিইএস) এই রোবট্যাক্সি প্রদর্শন করা হয়। আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনের আগেই প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ গাড়িটি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়।

এই রোবট্যাক্সিটি তৈরি করা হয়েছে লুসিড গ্র্যাভিটি এসইউভিকে ভিত্তি করে। গাড়িটিতে সংযুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি। প্রকল্পটি ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে উবার বিনিয়োগ করেছে ৩০ কোটি ডলার। পাশাপাশি লুসিডের কাছ থেকে ২০ হাজার বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার উবার, লুসিড ও নুরো যৌথভাবে জানায়, রোবট্যাক্সিটি ইতিমধ্যে জনসাধারণের সড়কে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। চলতি বছরই যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে এই সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে রোবট্যাক্সিটিতে রয়েছে উচ্চ রেজুলেশনের ক্যামেরা, সলিড-স্টেট লাইডার সেন্সর এবং রাডার প্রযুক্তি। এসব সেন্সর গাড়ির বডি ও ছাদের ওপরে থাকা ‘হালো’ অংশে সংযুক্ত করা হয়েছে। গাড়ির স্বয়ংচালিত ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে এনভিডিয়ার ড্রাইভ এজিএক্স থর কম্পিউটারের মাধ্যমে।

হালো অংশে যুক্ত করা হয়েছে এলইডি লাইট। যা যাত্রীদের দূর থেকে গাড়ি শনাক্ত করতে সহায়তা করবে। ওয়েমোর স্বয়ংচালিত গাড়িতেও একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব প্রযুক্তি গাড়ি তৈরির সময়ই সংযুক্ত করা হচ্ছে। যা লুসিডের অ্যারিজোনার কারখানায় সম্পন্ন হচ্ছে।

সিইএসে প্রদর্শিত এই রোবট্যাক্সিটি আগের পরীক্ষামূলক সংস্করণের তুলনায় আরও উন্নত। নতুন সংযোজন হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে যাত্রীদের জন্য ইন্টারফেস ব্যবস্থা। হালো অংশে একটি ছোট স্ক্রিন রয়েছে যা যাত্রীদের স্বাগত জানাবে। গাড়ির ভেতরে রয়েছে আলাদা রাইড ইন্টারফেস।

যারা আগে ওয়েমোর স্বয়ংচালিত গাড়িতে চড়েছেন তাদের কাছে এই অভিজ্ঞতা পরিচিত মনে হবে। পেছনের যাত্রীদের স্ক্রিনে শহরের থ্রিডি মানচিত্র দেখা যাবে। পাশাপাশি আশপাশের গাড়ি ও পথচারীদের অবস্থানও প্রদর্শিত হবে।

এই সফটওয়্যারটি তৈরি করছে উবার। তবে এখনো এর পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য সংস্করণ প্রদর্শন করা হয়নি।

গাড়ির সামনে রয়েছে বড় টাচস্ক্রিন। যা লুসিড গ্র্যাভিটির ৩৪ ইঞ্চির বাঁকানো ওএলইডি ডিসপ্লে। উবার এই রোবট্যাক্সিকে প্রিমিয়াম সেবা হিসেবে চালু করতে চায়। গ্র্যাভিটি গাড়িটির ভেতরের জায়গা বেশ প্রশস্ত। দুই সারির পাশাপাশি তিন সারির সংস্করণও থাকবে।

চূড়ান্ত যাচাই ও অনুমোদন শেষ হলে রোবট্যাক্সিটির পূর্ণ উৎপাদন শুরু হবে। গাড়িগুলো লুসিডের অ্যারিজোনার কারখানা থেকেই সরবরাহ করা হবে। তবে উৎপাদনের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো জানানো হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT