1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ঢাবির বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চায় শিক্ষক সমাজ - দৈনিক প্রথম ডাক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন

ঢাবির বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চায় শিক্ষক সমাজ

ঢাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৫ বার দেখা হয়েছে
ঢাবির তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তে প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ

ঢাবি প্রতিনিধি || জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক এম. আহিদুজ্জামানসহ তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। সংগঠনটি এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি ন্যায়সংগত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পুনঃপর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পূর্ণা ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপ মো. মশিউর রহমান এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান লিটুকে সাময়িক বরখাস্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।

সংগঠনটি বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশের মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, প্রগতিশীল চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে এমন গুরুতর প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ও একাডেমিক পরিবেশ সম্পর্কে গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটিতে অভিযুক্তের প্রতিনিধিকে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে জেরা করার সুযোগ থাকার পরও বারবার অধ্যাপক এম. আহিদুজ্জামান লিখিত আবেদন করার পর তাকে সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অভিযুক্তের প্রতিনিধির স্বাক্ষর ছাড়া সিন্ডিকেটে প্রতিবেদন পেশ করাকে ‘দুঃখজনক ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি’ বলেও উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি, অধ্যাপক আহিদুজ্জামান তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণ করেছেন। এরপরও তাকে শাস্তি দিয়ে পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতিকে চালু করবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জ্ঞানচর্চা, প্রশ্ন, মতপ্রকাশ ও অন্যায়ের সমালোচনা করবেন—এটাই একটি মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। মতপার্থক্য থাকলে যুক্তি, আলোচনা, সহনশীলতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার সমাধান করতে হবে; প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রয়োগ বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নয়।

ঢাবি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষক সমাজ বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে অভিযুক্ত শিক্ষকদের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে, বিষয়টি ন্যায়সংগত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পুনঃপর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, বুদ্ধিজীবী নিপীড়ন নয়, বরং মহান স্বাধীনতার মতাদর্শের পক্ষে অবস্থানকারী শিক্ষাবিদদের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে যেন প্রশাসনিক হয়রানি কিংবা শাস্তির আশঙ্কায় নীরব হয়ে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT