1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধারের পর যা বললেন মেজর (অব.) নাসির - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধারের পর যা বললেন মেজর (অব.) নাসির ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন, ইউএনও প্রত্যাহার ও সেনা মোতায়েনের দাবি ১১ দলের সৌদির বিধিনিষেধে বাতিল ১৩৫ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২২৬৩৬ যাত্রী মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর, মানতে হবে নির্দেশনা নতুন পে-স্কেলে জন্য ব্যাংক থেকে আরো ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা সৌদি আরবগামী ১৪৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রী কুবি শিক্ষার্থী ফারজানার মৃত্যু, স্বামীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা অভিযোগ করলেই সত্য হয়ে যায়: তানজিন তিশা ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধারের পর যা বললেন মেজর (অব.) নাসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিন সাওর ও ইনসেটে মেজর (অব.) ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক || বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিন সাওরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সব দিক বিবেচনায় নিয়ে ধারাবাহিক ও সমন্বিত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন মেজর নাসির। তিনি বলেছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত না হয়ে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা ঠিক হবে না। একই সঙ্গে আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা কিংবা অপরাধমূলক মৃত্যুর সম্ভাবনাসহ সব দিক খতিয়ে দেখা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে নিজের মতামত তুলে ধরে তিনি।

মেজর নাসির বলেন, ইউনিফর্মধারী কোনো ব্যক্তি কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত- যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, তার মৃত্যু সবার জন্যই কষ্টের। তবে এ ধরনের মৃত্যু আরো বেশি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে যথাযথ তদন্তের বিকল্প নেই।

নিরাপত্তাবিষয়ক অধ্যয়ন ও অপরাধ বিশ্লেষণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সাধারণভাবে মৃত্যুকে স্বাভাবিক, আত্মহত্যাজনিত ও অস্বাভাবিক- এই তিন ভাগে বিবেচনা করা যায়। স্বাভাবিক মৃত্যুর আড়ালে কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে কি না, আত্মহত্যার পেছনে ব্যক্তিগত সংকটের পাশাপাশি কারও চাপ বা নিপীড়ন ছিল কি না এবং অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা, অবহেলা কিংবা অপরাধের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তাহসিন সাওরের মৃত্যুর বিষয়ে মেজর নাসির বলেন, এখনই ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড না বলে আলোচিত মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করাই যুক্তিযুক্ত। কারণ, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হলে তদন্তের মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করতে হবে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা ও তথ্য সামনে এসেছে। এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করে অনুসন্ধান এগিয়ে নেওয়া দরকার। বিশেষ করে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ বা তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না, তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে কোনো সংকট ছিল কি না এবং মৃত্যুর আগে তিনি কোনো ধরনের চাপের মুখে ছিলেন কি না, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি।

মেজর নাসিরের মতে, সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ডসহ প্রাসঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পুলিশ তার মৃত্যুর আগে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পেতে পারে। তবে কোনো একটি তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে না পৌঁছে সব তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে।

শেখ হাসিনার ভিডিও ফুটেজের সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান
শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ তাহসিন সাওর ধারণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে প্রসঙ্গে এই মেজর বলেন, তাকে ঘিরে আলোচনায় আসা থাকা ভিডিও ফুটেজের সত্যতা যাচাইয়ের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, ফুটেজটি কতটুকু সত্য, কীভাবে এটি প্রকাশ্যে এসেছে এবং এর পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

ফুটেজটির সঙ্গে তার মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও অনুসন্ধানের বিষয় বলে মনে করেন তিনি। তার ভাষ্য, ভিডিওটি প্রকাশের কারণে তাহসিন সাওর কোনো ধরনের চাপের মুখে পড়েছিলেন কি না, কিংবা কোনো সরকারি-বেসরকারি পক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা, বিদেশি পক্ষ বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে এ ঘটনার কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা প্রমাণের ভিত্তিতে খতিয়ে দেখা উচিত।

তবে এসব সম্ভাবনাকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা না করে তদন্তের বিষয় হিসেবে দেখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মেজর নাসির বলেন, ভিডিও ফুটেজটি প্রকাশের ফলে কোনো পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কি না, কিংবা কেউ এতে উদ্বিগ্ন বা ক্ষুব্ধ হয়েছিল কি না, তা অনুসন্ধান করা দরকার।

তাহসিন সাওরের মাধ্যমে শেখ হাসিনার দেশত্যাগসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ এবং নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের কারণে সংশ্লিষ্ট কারও নিরাপত্তা বা স্বার্থে প্রভাব পড়েছিল কি না, তা যাচাই করা যেতে পারে।

ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হলে তাদের আটক বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ তৈরি হতে পারত কি না, কিংবা এ ধরনের আশঙ্কা থেকে কেউ ক্ষুব্ধ হয়েছিল কি না, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

সমন্বিত তদন্তের ওপর গুরুত্ব
তাহসিন সাওরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তার পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মেজর নাসির। তার মতে, সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা হওয়ায় এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সামরিক নিরাপত্তা ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও ভূমিকা থাকতে পারে।

তিনি বলেন, তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা বা পক্ষের বক্তব্যে যেন পরস্পরবিরোধিতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) যাচাই করা তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারে।

মেজর নাসিরের মতে, সমন্বিত ও কার্যকর তদন্ত হলে অপতথ্য, অপপ্রচার এবং মনগড়া ব্যাখ্যা ছড়ানোর সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তথ্য যাচাই করে প্রকাশ করা হলে জনমনে তৈরি হওয়া বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া সম্ভব হবে।

তাহসিন সাওরের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে মেজর নাসির বলেন, মৃত্যু পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও স্পর্শকাতর বিষয়। তাই তাদের যেন অযথা অপদস্থ করা না হয় কিংবা অসম্মানজনক আচরণের শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে অনুমাননির্ভর বক্তব্য না দিয়ে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT