1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
ঘরের মাঠে লেভারকুসেনে ধরাশায়ী ম্যানসিটি - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন

ঘরের মাঠে লেভারকুসেনে ধরাশায়ী ম্যানসিটি

খেলাধুলা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

খেলাধুলা ডেস্ক || মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে দলে ব্যাপক রদবদলের মূল্য চুকাতে হলো ম্যানচেস্টার সিটিকে। ঘরের মাঠ এতিহাদ স্টেডিয়ামে বায়ার লেভারকুসেনের কাছে ২-০ গোলে হারল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। গার্দিওলা শুরুতেই আরলিং হালান্ড, জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা- এমন সব তারকাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত উল্টো ফল বয়ে আনে। আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো ও প্যাট্রিক শিকের গোলে জার্মান জায়ান্টরা তুলে নেয় স্মরণীয় জয়।

এই হারের ফলে গ্রুপপর্বে সিটির অপরাজেয় যাত্রা থেমে গেল। সামনে অপেক্ষা করছে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে কঠিন পরীক্ষা। শীর্ষ আটে উঠার পথ এখন আরও কঠিন। হালান্ডকে দ্বিতীয়ার্ধে নামানো হলেও ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গেছে। গত মাসেই পিএসজির কাছে ৭-২ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়া লেভারকুসেন এবার ১২ জন খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই দেখাল।

গত শনিবার নিউক্যাসলের বিপক্ষে পরাজয়ের পর দলে পরিবর্তন এনে সঠিক সাড়া আশা করেছিলেন গার্দিওলা। সেই দলে একমাত্র নিকো গনসালেসই আগের ম্যাচ থেকে জায়গা ধরে রাখেন। ব্যস্ত সূচির কারণে রোটেশন ছিল বোধগম্য। তবে দ্বিতীয় সারির খেলোয়াড়দের এমন অনুজ্জ্বল পারফরম্যান্স বিশেষ করে ওমর মারমুশ নির্ভর আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন চিন্তা বাড়াবে।

শুরুতে একটি সুযোগ এসেছিল সিটির সামনে। কর্নার থেকে নাথান আকেঁর টোকা গোলমুখে গেলেও ব্রেন্টফোর্ডের সাবেক গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন তা ঠেকিয়ে দেন। বল দখলে আধিপত্য থাকলেও তীক্ষ্ণতা ছিল না। বেঞ্চ থেকে সব দেখছিলেন হালান্ড। চাপ সামলেও পাল্টা আক্রমণে হুমকি তৈরি করছিল লেভারকুসেন। আর্নেস্ট পোকার জোরালো শটটি ব্লক করেন রায়ান এইট নুরি।

২৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে লিড নেয় লেভারকুসেন। ডান দিক থেকে ইব্রাহিম মাজার ক্রস কফানে পাস বাড়িয়ে দেন। আর সেখান থেকেই গ্রিমালদো লক্ষ্যভেদ করেন। খেলায় ফেরার মতো তেজ সিটির দেখা যায়নি। প্রথমার্ধের শেষদিকে কিছুটা চাপ বাড়ালেও ফ্লেকেন অস্কার ববের নিচু বল ও তিজিয়ানি রেইজ্যান্ডার্সের লং রেঞ্জ শট; দুটোই দারুণভাবে রুখে দেন।

বিরতিতে ফিল ফোডেন, নিকো ও’রেইলি ও জেরেমি দোকুকে নামিয়ে তিন পরিবর্তন আনেন গার্দিওলা। কিন্তু খেলার গতি তাতে বদলায়নি। ৫৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লেভারকুসেন। মাজার ক্রস ধরে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন প্যাট্রিক শিক। আকেঁর আগেই পজিশন নেওয়ায় সিটির গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ডের কিছুই করার ছিল না।

এক ঘণ্টা পেরোতেই মাঠে নামানো হয় হালান্ডকে। ফোডেনের পাস ধরে এগিয়ে গেলেও ফ্লেকেন সামনে এগিয়ে এসে শট ঠেকিয়ে দেন। সিটি এরপর চাপ বাড়ালেও লেভারকুসেনের রক্ষণ দেয়ালে বিশেষ করে ইংল্যান্ডের সাবেক লিভারপুল ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ানসাহ ছিলেন দুর্ভেদ্য।

শেষ দিকে হালান্ডের শট উড়ে যায়, রায়ান চেরকির ফ্রি-কিকও ফেরান ফ্লেকেন। আর কোনো গোল না হওয়ায় হতাশার রাতই কাটাতে হলো ম্যানচেস্টার সিটিকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT