1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
- দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || বাড়ির সামনে একটি পুড়ে যাওয়া গাড়ির কাছে ফাইক আজুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখানে তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং ভাঙা কাচ পরিষ্কার করছিলেন।

শনিবার ইসরায়েলি হামলার সময় ফাইক কাছের একটি সবজির দোকান থেকে কিছু জিনিস কিনতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় ইসরায়েলি হামলার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়েছিলাম। আমি রাস্তা পার হয়েছিলাম।”

এই সময় তিনি বাড়ির দিকে ছুটে যান সদস্যদের অবস্থা জানার জন্য। তবে বাড়ি ফিরেন তিনি তার পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে অক্ষত দেখতে পান। কিন্তু তার তিন ছোট মেয়ে ভয়ে কেঁপে ওঠে। তারা চিন্তিত যে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ ও গণহত্যা নতুন করে শুরু হয়েছে। অথচ অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি প্রবর্তনের পর এগুলো স্থগিত হওয়ার কথা ছিল।

যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল বারবার গাজায় আক্রমণ করেছে। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ৫০০ বার তা লঙ্ঘন করেছে এবং ৬৭ জন শিশু সহ ৩৪২ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। শনিবার ইসরায়েলি হামলায় নিহত পাঁচ জন গাজা শহরের আল-আব্বাস এলাকার ছিল। এখানে ফাইক বাস করেন।

তিনি বলেন, “এটি একটি দুঃস্বপ্ন, যুদ্ধবিরতি নয়। কিছুক্ষণের জন্য শান্ত থাকার পর, জীবন এমনভাবে পরিণত হয় যেন এটি আবার যুদ্ধ। আপনি শরীরের অংশ, ধোঁয়া, ভাঙা কাচ, নিহত মানুষ, অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। এমন দৃশ্য যা থেকে আমরা এখনো মুক্তি পাইনি এবং যা আমাদের স্মৃতি থেকে যায়নি।”

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলি হামলায় ফাইক তার পরিবারের ৩০ জন সদস্যকে হারিয়েছেন। এদের মধ্যে তার বাবা-মা এবং তার ভাইয়ের সন্তানরাও ছিলেন। হামলায় তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন, যার ফলে ডাক্তাররা তার একটি আঙুল কেটে ফেলতে বাধ্য হন।

ফাইক ইসরায়েলি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তখন থেকে তার পরিবারকে গাজা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তর করেছেন। তবে নিরাপত্তা পাননি কোথাও।

তিনি বলেন, “কয়েকদিন পর পর বোমাবর্ষণ ও লক্ষ্যবস্তু হামলার ঢেউ আসে এবং কোনো সতর্কতা ছাড়াই সবকিছু উল্টে যায়। আমরা ক্লান্ত। গাজার জীবন ৯৯ শতাংশ মৃত এবং যুদ্ধবিরতি এটিকে পুনরুজ্জীবিত করার মাত্র ১ শতাংশ প্রচেষ্টা ছিল। কিন্তু আমরা সবকিছুতেই আশা হারিয়ে ফেলেছি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT