1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
গবাদিপশুর এলএসডি চিকিৎসার গাইডলাইন প্রণয়ন বাকৃবির - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন কনা আপুর জন্য মার খেয়েছিলাম: নুসরাত ফারিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঝড় তুলতে প্রস্তুত যে পাঁচ তরুণ তারকা রয়টার্সকে তারেক রহমান : জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করবে না বিএনপি পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ৯ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা দেশে পৌঁছেছে প্রবাসীদের ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট বিএমইটি’র মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে অভিনন্দন জানালো বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম গাজীপুরের টঙ্গীতে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধ করে দিলো সন্ত্রাসী মাতব্বর গ্রুপ নাটোরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনি শোভাযাত্রা

গবাদিপশুর এলএসডি চিকিৎসার গাইডলাইন প্রণয়ন বাকৃবির

বাকৃবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

বাকৃবি প্রতিনিধি || লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা গুটি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশুর চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা গাইডলাইন বই প্রণীত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগ ওই পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নির্দেশনা প্রণয়ন করেছে।

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) আর্থিক সহায়তায় এবং ‘ইনভেস্টিগেশন অব লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) অ্যাফেক্টেড হার্ডস অ্যান্ড ফরমুলেশনস কন্ট্রোল স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চিকিৎসা নির্দেশনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

এই প্রকল্পে প্রধান গবেষক হিসেবে ছিলেন বাকৃবির প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন।
প্রণীত এলএসডি চিকিৎসার গাইডলাইন বই গত ১৩ জানুয়ারি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়, এবং বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তিনি নিজেই এটা জানান।

তিনি বলেন, “এলএসডি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় প্রতিরোধের পাশাপাশি আক্রান্ত পশুর কার্যকর চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী তাদের পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত নির্দেশনাকে পরিমার্জন করে সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনাটি তৈরী করা হয়েছে। এই সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনাটি তৈরি হওয়ায় সকল ভেটেরিনারি চিকিৎসকগণ প্রমাণ ভিত্তিক চিকিৎসা করতে সক্ষম হবে, যা আগে ছিলোনা।

তিনি আরো বলেন, “এর আগে মাঠ পর্যায়ে এলএসডি রোগের চিকিৎসা করার জন্য পরিপূর্ণ কোনো ধরনের নির্দেশনা ছিলোনা। আমাদের পরিপূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনা দিয়ে মাঠ পর্যায়ে সকল ভেটেরিনারি চিকিৎসকগণ একইভাবে চিকিৎসা করতে সক্ষম হবে এবং রোগের শুরুতে চিকিৎসা শুরু করলে চামড়ার গুনগত মানও রক্ষা পাবে।”

রাজধানীর খামারবাড়িতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এলএসডি চিকিৎসা নির্দেশনা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। আরো উপস্থিত ছিলেন, বাকৃবি প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মকবুল হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামসুন্নাহার আহম্মদ, পরিচালক (উৎপাদন) ড. এ বি এম খালেকুজ্জামান এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (এল আর) ও পিএইচডি শিক্ষার্থী ডা. ইসরাত জেরিন।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, “দেশে ছয় বছরের বেশি সময় ধরে এলএসডি রোগটি বিদ্যমান এবং সময়ের সঙ্গে এই রোগের ভাইরাসের ধরণের পরিবর্তন হচ্ছে। ফলে মৃত্যুহার বেড়েছে।”

প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (এলআরআই) টিকা উৎপাদনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে কাজ করছে। তবে চিকিৎসা নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যা এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে পূরণ হলো, বলেও মনে করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT