1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
‘ক্রিকেট এমন, এনিথিং ক্যান হ্যাপেন’ - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

‘ক্রিকেট এমন, এনিথিং ক্যান হ্যাপেন’

খেলাধুলা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

খেলাধুলা প্রতিবেদক || সহজ ম‌্যাচ কঠিন করে জেতার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিকল্প এখন পর্যন্ত কোনো দল হয়নি নিশ্চিতভাবেই! ইতিহাস ঘুরে ফিরে তাদের দিকেই যায় বারবার। শেষ এক বছরে পাকিস্তানকে বেশ চ‌্যালেঞ্জই জানাচ্ছে বাংলাদেশ! রেকর্ডটা নিজেদের করে নিতে চাই যেকোনো মূল‌্যে!

হাস‌্যরস মনে হলো লিটনদের খেলার গতি, প্রকৃতি সেই কথাই বলছে। নয়তো আয়ারল‌্যান্ডের বিপক্ষে গতকাল যে ম‌্যাচ জিতেছে সেটাও কেন শেষ ওভারে যাবে? কেনই বা ম‌্যাচে রোমাঞ্চ ছড়াবে? কেনই বা রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির তৈরি হবে?

ম‌্যাচের চিত্রটা আগে জানা যাক। ১৭১ রানের লক্ষ‌্য তাড়া করতে নেমে পারভেজ হোসেন ইমনের ঝড়ো শুরুর পর লিটন ও সাইফের ব‌্যাটে সহজ জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল স্বাগতিকরা। পারভেজ ২৮ বলে ৪৩ রান করেন ৫ চার ও ২ ছক্কায়। তিনে নেমে লিটন ৩টি করে চার ও ছক্কায় জয়ের কাজটা সহজ করে দেন। তার সঙ্গে ১৭ বলে ২২ রান করেন সাইফ হাসান।

কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতনে বাংলাদেশ শিবিরে শুরু হয় অস্থিরতা। সহজ ম‌্যাচ কঠিন বানিয়ে ফেলেন তাওহীদ, সোহানরা। ৮ উইকেটে ৩১ বলে দরকার ৩৩ রান। সেখান থেকে ম‌্যাচ গড়ায় শেষ ওভারে। দ্রুত ৪ উইকেট তুলে আইরিশরা জয়ের সম্ভাবনাও জাগিয়ে তুলেছিল। কিন্তু সাইফ উদ্দিন ক্রিজে এসে সব হিসেব পাল্টে দেন। বাঁহাতি ব‌্যাটসম‌্যান ৭ বলে ১৭ রান করেন ২ চার ও ১ ছক্কায়। শেষে শেখ মাহেদীর দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারিতে ম‌্যাচ বাংলাদেশ জিতে নেয় ২ বল আগে।

ম‌্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন মাহেদী। শেষ সময়ের রোমাঞ্চ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি, ‘‘এটা প্রত‌্যাশিত (ম‌্যাচটা ক্লোজ হবে কিনা) করার বিষয় না। টি-টোয়েন্টি খেলা, যেকোনো সময় মোমেন্টাম পরিবর্তন হতে পারে। ওরা যেমন ৬ ওভারে ৮০ রান করে ১ উইকেট ছিল। এরপর কিন্তু অতো রান করতে পারেনি। ক্রিকেট এমন, এনিথিং ক্যান হ্যাপেন।’’

শেষ দিকে নিজেদের ওপর কোনো চাপ নেননি মাহেদী, ‘‘যেহেতু বল টু বল খেললে…একটা বাউন্ডারি হলেই জিতে যাব। আমাদের (সাইফ উদ্দিনের সঙ্গে) মধ‌্যে ক্রিটিক‌্যাল কথা হয়নি কোনো। স্বাভাবিক ছিলাম। শুধু একটা বাউন্ডারির খোঁজে ছিলাম।’’

সাইফ উদ্দিনের কাভারের ওপর দিয়ে মারা ছক্কা ও ডিপ মিড উইকেটে হাঁকানো চার কাজটা সহজ করে দিয়েছে। তার প্রশংসা করে মাহেদী বলেছেন, ‘‘যেদিন ব‌্যাটসম‌্যানরা ভালো করেন সেদিন নিচের দিকের ব‌্যাটসম‌্যানরা ব‌্যাটিং পায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক দিন পরপর টেল এন্ডারদের ব‌্যাটিং করতে হয়। এই জায়গায় অনেকদিন পরে সাইফ উদ্দিন এসে ইনিংসটা খেলছে, আউটস্ট্যান্ডিং! প্রেসার মোমেন্টে এই দুইটা বাউন্ডারি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিলো।’’

একাদশে ফিরে মাহেদী বোলিংয়ে ছিলেন দলের সেরা। ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। তবে তার শুরুর বোলিং ভালো ছিল না। প্রথম ওভারে তিনটি চার মারেন টিম টেক্টর। সব মিলিয়ে দেন ১৩ রান। পরে ফিরে এসে ৩ ওভারে খরচ করেন ১২ রান। একই ওভারে পেয়েছেন জোড়া উইকেট।

কিভাবে মানিয়ে নিয়েছেন সেই উত্তর দিতে দিয়ে মাহেদী বলেছেন, ‘‘পাওয়ার প্লে-তে দুজন ডানহাতি ব‌্যাটসম‌্যান আমার জন্য তো একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। রুম করে খেলতেছিল। আমার মাইন্ড নিয়েই খেলতেছিল তারা। যখন পাঁচটা ফিল্ডারের বাইরে থাকে, তখন তো একটু ভালো পরিকল্পনা করা যায়। আমি ওই পরিকল্পনাই করে চেষ্টা করেছি।’’

‘‘ভালো জায়গায় বল করছি। মিডল ওভারে ভালো বল করাতে ওদের আরো ২০-৩০ রান কম হয়েছে। মিডল ওভার অনেক গুরু্বপূর্ণ ছিল। পাওয়ার প্লে ওরা যেভাবে ব‌্যবহার করছে পরে কিন্তু সেভাবে পারেনি। আমরা ব‌্যাক করেছি। এজন‌্য ক্রেডিট দিতে হবে মূল বোলারদের। আমরা সবাই ভালো বল করেছি। আমি বলব যে বোলাররা কামব্যাক করছে, এটা এক্সেপশনাল। বোলাররা যে স্ট্রাগল করে আবার কামব্যাক করছে, হ্যাটস অফ।’’ – বলেছেন মাহেদী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT