1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
আগাম টমেটো চাষে ‘ফিল কার্ল’ ভাইরাসের হানা, দুশ্চিন্তায় কৃষক - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

আগাম টমেটো চাষে ‘ফিল কার্ল’ ভাইরাসের হানা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে
টমেটো গাছে কীটনাশক দিচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের এক কৃষক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি || লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের মিয়ারবেড়ি ও সুতার গোপ্টা এলাকায় আগাম টমেটো চাষ করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। জমিতে ‘লিফ কার্ল’ ভাইরাসের আক্রমণে মরে যাচ্ছে গাছ। ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করেও কোনো কাজ হয়নি বলে জানান চাষিরা। তাদের ভাষ্য, ফলন পাওয়ার আগেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব এই ভাইরাসের বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখছে। ঋতুর স্বাভাবিক নিয়ম ভেঙে অক্টোবর মাসে বৃষ্টি, দিনে অতিরিক্ত গরম ও রাতে শীত পড়ার কারণে ভাইরাসের বিস্তার দ্রুত ঘটছে। এই ভাইরাসের কারণে গাছের পাতা কোঁকড়ে যায়, পুরু হয়ে যায়, ফুল ঝরে পড়ে এবং ফল ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।

ভাইরাস আক্রান্ত গাছগুলো তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে বলা হয়েছে। কৃষকদের অনেকেই গাছ তুলে ফেলার ব্যাপারে অনীহা দেখাচ্ছেন।

ভবানীগঞ্জের চাষি মহিউদ্দিন জানান, তিনি এক একর জমিতে আগাম টমেটো চাষ করেছেন। প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। দেড় মাস আগে রোপণ করা গাছে এখন ফুল আসতে শুরু করেছিল। আরো দেড় মাস পর ফল বিক্রির আশা ছিল। ভাইরাস আক্রমণে গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। নানা ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করেও লাভ হচ্ছে না। একই পরিস্থিতি পাশের ৮ একর জমিতে টমেটো চাষ করা কৃষক জালালের ক্ষেতেও।

মাঠ পর্যায়ে কাজ করা কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ ভাইরাসটির নাম ‘লিফ কার্ল ভাইরাস’। সাদা মাছির মাধ্যমে এটি এক ক্ষেত থেকে আরেক ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে। এবারই প্রথম এই এলাকায় এমন সংক্রমণ দেখা গেল। কৃষকদের অনেকেই ভাইরাসটি সম্পর্কে জানতেন না, ফলে সঠিক সময়ে ওষুধ প্রয়োগ করতে পারেননি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জহির আহমেদ বলেন, ‌“আমরা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। ভাইরাস আক্রান্ত গাছগুলো তুলে ফেলে মাটিতে পুঁতে দিতে বলা হয়েছে। তবে, কৃষকদের অনেকেই গাছ তুলে ফেলার ব্যাপারে অনীহা দেখাচ্ছেন।”

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টমেটো চাষ হচ্ছে প্রায় ৭৭৮ হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমিতে এই সবজির আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT