1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজের অনিয়ম তদন্তে বিএসইসি - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন

কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজের অনিয়ম তদন্তে বিএসইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক || ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) সদস‌্যভুক্ত ট্রেকহোল্ডার বা ব্রোকারেজ হাউস কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজ লিমিটেডের (ট্রেক নম্বর- ১৪৩) অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

দেশের পুঁজিবাজারে মধ্যস্থতাকারী এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেশ কিছু শর্তসাপেক্ষে আগামী ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে গঠিত তদন্ত কমিটিকে অনুসন্ধান প্রতিবেদন বিএসইসিতে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের কাছ থেকে ৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণ নিয়েছে কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজ লিমিটেড। সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে বিএসইসির গঠিত তদন্ত কমটি।

সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি আদেশ বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন থেকে জারি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিএসইসির জারি করা আদেশ কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন: বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইউসুফ ভূঁইয়া, সহকারী পরিচালক মো. কামাল হোসেন এবং ডিএসইর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন।

বিগত সরকারের আমলে আইন লঙ্ঘন করা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে তেমন কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ঘাটতি থাকা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।

বিএসইসির তদন্তের আদেশ
বিএসইসি মনে করে, পুঁজিবাজার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ওঠা অভেোযগের বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করা প্রয়োজন। এ কারণে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিনেন্স ১৯৬৯-এর সেকশন ২১ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩-এর ধারা ১৭(ক)-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ব্রোকারেজ হাউজটির বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য বিএসইসি এবং ডিএসই থেকে তিনজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা এই আদেশ জারির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন এবং কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

তদন্ত কমিটি যেসব বিষয় খতিয়ে দেখবে
আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স থেকে কে. এইচ. বি. সিকিউরিটিজ লিমিটেড যে ৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে, সেটি অনুসন্ধান করতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। যাচাইযোগ্য নয়, এমন লিজ অ্যাকাউন্টের সমন্বয় খতিয়ে দেখা হবে। ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকার অ-উদ্ধৃত শেয়ারে অনিরাপদ বিনিয়োগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

শেয়ারহোল্ডার পি অ্যান্ড এল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি যাচাই করে দেখবে তদন্ত কমিটি। ২০১৯ সালের মার্চ থেকে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) ফাইলিংসহ নন-কমপ্লায়েন্স যাচাই-বাছাই করা হবে। অন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির একজন কর্মকর্তা দৈনিক প্রথম ডাককে বলেন, “ব্রোকারেজ হাউজগুলো কার্যক্রমে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT