1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
আন্দোলনের মুখে রাবির ৬ ডিনের পদত্যাগ - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

আন্দোলনের মুখে রাবির ৬ ডিনের পদত্যাগ

রাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৬ বার দেখা হয়েছে

রাবি প্রতিনিধি || দিনব্যাপী আন্দোলন, চেম্বারে তালা ও রেজিস্ট্রারকে অবরুদ্ধ করে রাখার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছয় ডিন পদত্যাগ করেছেন।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় এক সভায় তারা দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার দৈনিক প্রথম ডাককে এ তথ্য জানান।

আখতার হোসেন মজুমদার বলেন,“আমরা শিক্ষার্থী ও ডিনদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সেখানে ডিনরা তাদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন। এই বিষয়ে সোমবার উপাচার্য সহয়ত একটা সিদ্ধান্ত জানাবেন।”

পদত্যাগ করা ছয়জন ডিন হলেন, আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. আবু নাসের মো. ওয়াহিদ, বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. নাসিমা আখতার, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধ্যাপক ড. এ এস এম কামরুজ্জামান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. এস এম একরাম উল্লাহ, প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক ও ভূবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. এ এইচ এম সেলিম রেজা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিন বলেন, “ভিসি আমাদের ডেকেছিলেন, আমরা আগেও মৌখিকভাবে দায়িত্ব না দেওয়ার কথা বলেছিলাম। আজ লিখিতভাবে দায়িত্ব পালনে অপারগতার কথা জানিয়ে এসেছি।”

এদিকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এস এম এক্রাম উল্ল্যাহ বলেন, “আমরা জানিয়েছি, আমরা দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক না।”

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এর আগে আওয়ামীপন্থি ছয় জন ডিনের পদত্যাগ দাবিতে রবিবার সকাল ১০টার দিকে ডিনস কমপ্লেক্সে যান শিক্ষার্থীরা। পরে ডিনস কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ভবনে অবস্থিত এই ডিনদের চেম্বারে তালা দেন তারা।

পরে দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার দপ্তরে এসে তাদের দাবি জানান। এসময় শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ ফয়সাল দাবি আদায়ের আগে রেজিস্ট্রার ভবন ত্যাগ না করার ঘোষণা দেন। পরে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার দপ্তরসহ উপ-উপাচার্য ও প্রক্টর দপ্তরেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

প্রায় আধা ঘণ্টা তালাবদ্ধ রাখার পর তালা খুলে দেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টর ও জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সভায় বসেন। সেখানে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই রাতে আরেকটি সভা ডাকা হবে বলে ওই সভা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতি, ডিন, সিন্ডিকেট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি এবং শিক্ষা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১২টি অনুষদের ডিন নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি হলুদ প্যানেল থেকে ছয় প্রার্থী নির্বাচিত হন। গত বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ডিনদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে উপাচার্য ১১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এসব ডিনদের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত স্ব-পদে থাকার নির্দেশ দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT