1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
খুলনা-১ আসনে সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী, বার্ষিক আয়ে বিএনপির এজাজ - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

খুলনা-১ আসনে সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী, বার্ষিক আয়ে বিএনপির এজাজ

খুলনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে
খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমির এজাজ খান এবং জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী (ডানে)

খুলনা প্রতিনিধি || ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। বার্ষিক আয়ের দিক দিয়ে এগিয়ে বিএনপির আমির এজাজ খান। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া তাদের হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২০ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৯৮৪ টাকার। যার মধ্যে নগদ অর্থ ঋণসহ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি। ব্যবসা ও কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খানের অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ব্যবসা, কৃষিখাত, এফডিআর ও মূলধনী লাভ থেকে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩০ লাখ ৯ হাজার টাকা।

হলফনামায় দেখা যায়, জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এসএসসি পাশ। তিনি পেশা হিসেবে ব্যবসাকে উল্লেখ করেছেন। তার অস্থাবর সম্পদ ১৯ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা, ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি নিশান জিপ ও একটি টয়েটো প্রোভাক্স প্রাইভেট কার, উপহারের ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য, উপহারের আসবাবপত্র রয়েছে।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে ২.৪৭ একর কৃষি জমির অর্জনকালীন মূল্য ৯৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ৩৯ লাখ টাকা মূল্যের ০.৫১৫০ একর অকৃষি জমি, ডুমুরিয়ার চুকনগরে ২৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের দুটি তিনতলা পাকা বাড়ি। কৃষ্ণ নন্দী সবশেষ বছরে ৩০ হাজার ৮০০ টাকার আয়কর দাখিল করেছেন।

বিএনপির আমির এজাজ খান হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। তিনি বিএ পাশ। তার মামলার সংখ্যা ১৩টি। যার মধ্যে কয়েকটি মামলা খালাস ও প্রত্যাহার হয়েছে, কিছু মামলা চলামান। ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩০ লাখ ৯ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪১৬ টাকা, ব্যাংকে জমা ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৪ টাকা, এফডিআর ৮৫ লাখ টাকা, বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেলের মূল্য ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৩০ ভরি স্বর্ণ, ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক পণ্য, এক লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। এছাড়া, তার কৃষি জমি, অকৃষি জমি, আটটি দোকান বাবদ ৬০ লাখ টাকার মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

গুরুর খামারে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫১ টাকা। তার স্ত্রীর ২০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। সবশেষ বছরে বিএনপির এই প্রার্থী আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ২০১ টাকা।

শুধু এই দুইজনই নয়, খুলনা-১ আসনের আরো ৮ প্রার্থী হলফনামা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের মো. আবু সাঈদ হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘর ফাঁকা রেখেছেন। তার পেশা চাকরি। বার্ষিক আয় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ৩৫ হাজার টাকা বর্তমান মূল্যের অস্থাবর সম্পদ এবং ২০ লাখ টাকার বর্তমান মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে তার।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ফিরোজুল ইসলাম বিএ পাস। পেশার ঘরে তিনি কৃষি উল্লেখ করেছেন। কৃষি থেকে তার বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদ ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। স্ত্রীর ১০ লাখ টাকা। এছাড়া স্থাবর কোনো সম্পদ নেই তার।

জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্তের শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি এবং পেশা ব্যবসা। কৃষিখাত ও ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ৪১ লাখ ২৫ হাজার টাকার অস্থাবর এবং ২ কোটি ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে তার।

বাংলাদেশ মাইনোরিটি জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রবীর গোপাল রায় এমবিএ পাস। পেশায় ব্যবসা। তার বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৩ টাকা। এছাড়া ৪৬ লাখ ৫ হাজার ৪২৩ টাকার অস্থাবর এবং ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৯০ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে এই প্রার্থীর। স্ত্রীর ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

সম্মিলিত জাতীয় জোটের অন্তর্গত বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায় এমএ পাশ। বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১ হাজার ৮৬৯ টাকা। অস্থাবর সম্পদের ঘরেও তিনি ৭ লাখ ১ হাজার ৮৬৯ টাকা উল্লেখ করেছেন। ৭১ লাখ ৮৭ হাজার ১১৫ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে তার। এই প্রার্থীর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৬ টাকা।

বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডল এইচএসসি পাশ। তার পেশা ব্যবসা। বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ৫০ লাখ ৬২ হাজার ৬৮১ টাকার অস্থাবর এবং ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায় স্নাতক পাশ। পেশা হিসেবে তিনি কৃষি উল্লেখ করেছেন। তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। ১২ লাখ টাকার অস্থাবর এবং ৩৩ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে এই প্রার্থীর। স্ত্রীর ১৮ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

জাতীয় পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। পেশায় রাজনীতি। তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ১ কোটি ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ তার। স্থাবর সম্পদের ঘরেও তিনি এক কোটি ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT