1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
ইরানে হামলার কথা এখনো ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

ইরানে হামলার কথা এখনো ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরান সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, কূটনীতি ‘সবসময়ই প্রথম পছন্দ’, তবে সামরিক হামলার বিষয়টিও ‘বিবেচনায় রয়েছে’। খবর আল-জাজিরার।

লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বিশেষ গুণ হলো তিনি সবসময় তার সব বিকল্প খোলা রাখেন। আর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে তার কাছে থাকা অনেকগুলো বিকল্পের মধ্যে বিমান হামলা একটি।”

ইরানে বড় ধরনের প্রতিবাদ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে এবং গত কয়েক দিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দাঙ্গায় ডজনখানেক নিরাপত্তা কর্মীও নিহত হয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরান সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের ঘটনাটিকে দেশটির বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, ইরানে মার্কিন হামলা সম্ভবত আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে। তবে ট্রাম্প প্রায়শই সেই দেশগুলোকে সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে থাকেন যারা তার নির্দেশ অমান্য করে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সদস্য যেমন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ট্রাম্পকে তেহরানের সঙ্গে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বা বিমান হামলার চেয়ে কম কঠোর কোনো বিকল্প বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত রবিবার জানান, ইরানি কর্মকর্তারা তাকে ফোন করেছিল এবং ‘তারা আলোচনা’ করতে চায়।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি লেভিট বলেন, “ইরানি কর্মকর্তারা যা বলছেন আর মার্কিন প্রশাসন যে ধরনের তথ্য পাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ আলাদা।”

তিনি আরো বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেখিয়েছেন যে তিনি যখন প্রয়োজন মনে করেন তখন সামরিক বিকল্প ব্যবহার করতে ভয় পান না এবং ইরান এটি অন্য যে কারো চেয়ে ভালো জানে।”

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোকে ‘অবিলম্বে’ ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে।

ট্রাম্প বলেন, তার এই আদেশ ‘চূড়ান্ত ও মীমাংসিত’। তবে এই শুল্ক ইরানের সব বাণিজ্যিক সহযোগীর ওপর প্রযোজ্য হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। ইরানের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হলো চীন; এরপরই রয়েছে ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক এবং ভারত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT