1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
কেরাণীগঞ্জে এসিল্যান্ড অফিসে দুদক - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

কেরাণীগঞ্জে এসিল্যান্ড অফিসে দুদক

কেরাণীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে
কেরাণীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে সোমবার অভিযান চালায় দুদক।

কেরাণীগঞ্জ প্রতিনিধি || ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশের পর কেরাণীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে তদন্ত চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম। তদন্তে সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত ১১ জানুয়ারি জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় কেরাণীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়া ও তার অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের প্রেক্ষিতে সোমবার ১২ জানুয়ারি দুপুরে দুদক সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম কেরাণীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তদন্তকালে দুদক টিম সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগকারীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চায়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়ার কাছ থেকেও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা গ্রহণ করে। অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য শুনে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেন দুদক কর্মকর্তারা।

শুনানি শেষে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের প্রধান ও সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমান বলেন, “আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে আমরা কেরাণীগঞ্জ মডেল এসিল্যান্ড অফিসে তদন্তে এসেছি। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট একজনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন যে, টাকা চাওয়ার বিষয়ে তার অভিযোগটি সত্য নয়। তিনি জানান, আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদক বা সুজন কেরাণীগঞ্জ সম্পাদক কাওসার আহমেদের সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি। তিনি আরো বলেন, এসিল্যান্ড বা তার কোনো কর্মচারী তার কাছে কোনো ধরনের টাকা দাবি করেননি।”

এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়া বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি ভূমি অফিসে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছি। একটি অসাধু চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে আমার এবং আমার অফিসের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিষয়টি আমি ইতোমধ্যে আমার ঊর্ধ্বতন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক এবং ঢাকার জেলা প্রশাসক মহোদয়কে লিখিতভাবে অবহিত করেছি। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেছেন।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT