নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রায় দুই সপ্তাহের তীব্র সংকটের পর জাতীয় গ্রিডে আবারো বাড়তে শুরু করেছে গ্যাস সরবরাহ।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটি ইউনিট আংশিকভাবে চালু হওয়ার পর এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। তবে, রাজধানীর বাসাবাড়ি, শিল্পাঞ্চল ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাসের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো দুই থেকে তিনদিন সময় লাগতে পারে এমনটি জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।
মহেশখালীর টার্মিনালটি থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ঘাটতি ধীরে ধীরে কমছে। একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে, সরবরাহ ব্যবস্থার শেষ প্রান্তে থাকা আবাসিক গ্রাহক এবং গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায় এখনো সংকট রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরলে পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে।
যে কারণে হঠাৎ তীব্র সংকট:
মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড ও কারিগরি ত্রুটির পর এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। একপর্যায়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের চাপ ভয়াবহভাবে নেমে যায়। সরবরাহ ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়ে তিনটি বড় খাত- আবাসিক, পরিবহন ও শিল্পে।
রাজধানীর বহু এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় গ্যাস না থাকায় রান্না করতে গিয়ে মানুষকে গভীর রাত বা ভোরের অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেক পরিবার বাড়তি খরচে এলপিজি, ইলেকট্রিক হিটার কিংবা ইন্ডাকশন চুলার ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়েছেন।
অন্যদিকে, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। কোনো কোনো স্টেশনে গ্যাস না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গাড়িচালকদের জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। ফলে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহন দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তি বাড়ে।
শিল্পখাতেও সংকটের প্রভাব ছিল তীব্র। বিশেষ করে গাজীপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় গ্যাসনির্ভর কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ডাইং, নিটিং ও অন্যান্য শিল্পে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস
দীর্ঘ মেরামত ও কারিগরি কাজ শেষে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউর একটি ইউনিট পুনরায় চালু করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। শুরুতে সীমিত সক্ষমতায় গ্যাস দেওয়া হলেও এর প্রভাব ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় পড়তে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “টার্মিনাল পুনরায় চালুর পর এলএনজি কুলিং ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। এরপর ধীরে ধীরে সঞ্চালন লাইনে গ্যাসের চাপ বাড়বে।”
তিনি বলেন, “আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বর্তমানে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা একদিনে পূরণ করা সম্ভব নয়। টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইপলাইনের বিভিন্ন অংশে চাপও পর্যায়ক্রমে বাড়বে। ফলে কোথাও আগে, কোথাও পরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে।”
রাজধানীতে কিছুটা স্বস্তি
এফএসআরইউ আংশিক সচল হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে আগের তুলনায় গ্যাসের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে, রাজধানীর সব এলাকায় একই চিত্র নয়।
মূল সঞ্চালন লাইনের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে সরবরাহ তুলনামূলক দ্রুত উন্নত হলেও পাইপলাইনের শেষ প্রান্তের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় এখনো স্বল্পচাপের সমস্যা রয়েছে।

রান্নার জন্য গ্যাস না পাওয়ায় ভোগান্তিতে এক গৃহিনী
বিশেষ করে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় সংকটের মাত্রা একেক রকম। কোথাও দিনের বেলায় গ্যাসের চাপ কম, আবার কোথাও গভীর রাতে বা ভোরের দিকে তুলনামূলক ভালো চাপ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে রান্নার সময়সূচি বদলে ফেলতে হয়েছে অনেক পরিবারকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়তে থাকলে রাজধানীর আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ধীরে ধীরে চাপ বাড়বে। তাই আগামী দুই থেকে তিনদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্পাঞ্চলে এখনো চাপ কম
গ্যাস সরবরাহের উন্নতি শুরু হলেও দেশের গ্যাসনির্ভর শিল্পাঞ্চলে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো স্বস্তি ফেরেনি। গাজীপুরের টঙ্গী, কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর, সাভার এবং নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্প এলাকায় এখনো স্বল্পচাপের অভিযোগ রয়েছে। টেক্সটাইল, ডাইং ও গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত মাত্রায় গ্যাস না পেলে বয়লার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যায় না। ফলে উৎপাদন কমে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয় করে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হয়।
তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন সূচি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি সরবরাহের ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে। তাই শিল্পাঞ্চলে দ্রুত এবং স্থিতিশীল গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন অন্যতম প্রধান বিষয়।
বিদ্যুৎ উৎপাদনেও প্রভাব
গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার আরেকটি বড় প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। দেশের বেশ কিছু গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদন কমাতে বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।
এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়। গ্যাস সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে উৎপাদনে ফিরতে পারলে বিদ্যুতের ঘাটতিও কমার আশা করা হচ্ছে। অর্থাৎ মহেশখালীর একটি টার্মিনালের কার্যক্রম শুধু গ্যাসের ওপর নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, পরিবহন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ওপরও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
দুই-তিনদিন এখন স্বস্তির অপেক্ষা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাভাবিক বলতে শুধু টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়াই নয়; জাতীয় গ্রিডের বিভিন্ন পর্যায়ে চাপ স্থিতিশীল হওয়াও জরুরি। কারণ, দীর্ঘ সময় সরবরাহ কম থাকার পর পাইপলাইন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অংশে চাপ কমে গেছে। নতুন করে গ্যাস প্রবেশের পর সেই চাপ ধীরে ধীরে পুনর্গঠিত হবে। ফলে টার্মিনাল চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব এলাকায় একই সময়ে স্বাভাবিক চাপ পাওয়া সম্ভব নয়।
এ কারণে সিএনজি স্টেশন ও প্রধান সঞ্চালন লাইনের কাছাকাছি এলাকায় আগে স্বস্তি ফিরলেও আবাসিক ও শিল্পের শেষ প্রান্তের এলাকায় স্বাভাবিক হতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
নির্ভরযোগ্য সরবরাহের বিকল্প নেই
সাম্প্রতিক গ্যাস সংকট আবারো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতার বিষয়টি সামনে এনেছে।
আমদানি করা এলএনজি দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে একটি বড় টার্মিনাল দীর্ঘ সময় অচল হয়ে পড়লে তার প্রভাব দ্রুত জাতীয় অর্থনীতি ও জনজীবনে ছড়িয়ে পড়ে।
পেট্রোবাংলার সাবেক কর্মকর্তা মো. মতিউর আলম বলেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানোর পাশাপাশি এলএনজি আমদানির উৎস ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা, পাইপলাইন নেটওয়ার্কের সক্ষমতা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে গ্যাস বণ্টনের কার্যকর পরিকল্পনা থাকা জরুরি। কারণ গ্যাস শুধু রান্নার জ্বালানি নয়, এর সঙ্গে যুক্ত বিদ্যুৎ, শিল্প, পরিবহন, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।”
সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে ফিরছে স্বস্তি
এফএসআরইউ আংশিক সচল হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। ফলে কয়েক দিন ধরে চলা দীর্ঘ সারি ও অপেক্ষার ভোগান্তিও ধীরে ধীরে কমছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রায়েরবাগ রানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা সফিকুর রহমান বলেন, “আগের কয়েক দিনের তুলনায় এখন গ্যাসের চাপ কিছুটা ভালো। গাড়িগুলোতে দ্রুত গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে এবং স্টেশনের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষাও কমে এসেছে। আশা করছি, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে।”
রায়েরবাগের বাসিন্দা তুহিন আলম বলেন, “কয়েক দিন গ্যাসের চাপ একেবারেই কম ছিল। রান্নাবান্না নিয়ে পরিবারের সবাইকে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এখন কিছুটা চাপ পাওয়া যাচ্ছে। সরকার বলছে দুই-তিনদিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এতে আমরা আশাবাদী।”
সিএনজি চালক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “সংকটের সময় গ্যাস নিতে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এতে যাত্রীও কম নিতে পেরেছি, আয়ও কমেছে। এখন চাপ বাড়ায় অপেক্ষার সময় কিছুটা কমেছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে আমাদের মতো চালকদেরও স্বস্তি ফিরবে।”
গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা
এফএসআরইউতে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বর্তমানে এই সংকটের সৃষ্টি হয়। সংকট উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তার সহযোগিতা কামনা করেছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এই জ্বালানি সংকট সমাধানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন ।
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “গ্যাস সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সরকার বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার কাজ শুরু করেছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন একটি দলের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জনগণের কষ্ট লাঘবে জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
মহেশখালীর এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ ফের শুরু হওয়ায় আপাতত বড় সংকটের অবসানের পথ তৈরি হয়েছে। এখন অপেক্ষা সরবরাহ পুরোপুরি স্থিতিশীল হওয়ার। আগামী দুই থেকে তিনদিন তাই শুধু গ্যাসের চাপ বাড়ার সময় নয়, বরং দীর্ঘ ভোগান্তির পর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অপেক্ষার সময়ও।
জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ স্থিতিশীল হলে সিএনজি স্টেশনের দীর্ঘ সারি কমবে, বাসাবাড়ির চুলায় ফিরবে স্বাভাবিক আগুন, কারখানার বয়লার ও উৎপাদন লাইন সচল হবে এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও ধীরে ধীরে উৎপাদনে ফিরতে পারবে। দীর্ঘ সংকটের পর মহেশখালীর এফএসআরইউর আংশিক সচল হওয়া তাই শুধু একটি টার্মিনাল চালুর খবর নয়; এটি স্বাভাবিক জীবন, শিল্পের গতি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।