1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’, স্লোগানে ইবি শিক্ষার্থীরা - দৈনিক প্রথম ডাক
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন

‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’, স্লোগানে ইবি শিক্ষার্থীরা

ইবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৯ বার দেখা হয়েছে
এনটিআরসিএ বহালের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের মিছিল

ইবি প্রতিনিধি || বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর কাছ থেকে ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সিদ্ধান্ত বাতিল ও এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ বহালের দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি আবার প্রধান ফটকের সামনে ফিরে আসে। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে ইবি শাখা ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, জমিয়তে তালাবিয়া আরাবিয়া ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

মিছিল থেকে ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘চাচা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘মেধা না চাকরি, চাকরি চাকরি’, ‘শিক্ষা না বাণিজ্য, শিক্ষা শিক্ষা’ এবং ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, এনটিআরসিএর কেন্দ্রীয় সুপারিশের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর পরিবর্তে নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে দেওয়া হলে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে। তাই এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের বর্তমান ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবি জানান তারা।

ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “আমরা ২০১৮ সালে আন্দোলনের মাধ্যমে এই প্রথা বিলুপ্ত করেছিলাম। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি স্থানীয় এমপিদের কথায় চলতে চলতে শিক্ষকেরা তাদের জুতার তলা ক্ষয় করে ফেলেছেন। এই প্রথার অবসান ঘটিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও ঘুষমুক্ত একটি ব্যবস্থা চালু করা হোক। আমরা এনটিআরসিএর মাধ্যমেই নিয়োগ প্রক্রিয়া চাই। যেভাবে শক্ত ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিল, আমরা সেভাবেই চাই। প্রয়োজনে আইন করে স্থায়ীভাবে এনটিআরসিএর হাতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া তুলে দিতে হবে।”

জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, “এনটিআরসিএ থেকে কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার একটি রেজুলেশন প্রকাশ করা হলো। এরপর শিক্ষামন্ত্রীর ফেসবুক পেজে অ্যাডমিন দিয়ে পোস্ট করানো হলো যে, এটি নাকি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মন্ত্রণালয় থেকে রেজুলেশন আকারে যেটা পাস করা হলো, সেটির গুরুত্ব বেশি, নাকি অ্যাডমিন দিয়ে করা পোস্টের গুরুত্ব বেশি? শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো একটি কর্মকাণ্ড করেছেন। মূলত আপনাদের দলীয় ফিন্যান্সিয়াল পলিসি নির্ধারণ করার জন্যই এই কার্যক্রমটি করেছেন।”

তিনি আরো বলেন, ‘এলাকায় যারা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের হাতে নিয়োগ বাণিজ্যে শিক্ষাকে তুলে দিয়ে আপনারা শিক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। তাই যেভাবে রেজল্যুশন আকারে এটি প্রকাশ করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই ছাত্রসমাজের কাছে ক্ষমা চেয়ে আরেকটি রেজল্যুশন আকারে লিখিত দিয়ে বিষয়টির সুরাহা করুন।’বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, ‘বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনটিআরসিএতে যে পদ্ধতি আনতে চােইছে, সেটা যদি বাতিল করা না হয়, তাহলে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা তা মেনে নেবে না। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঘোষণা করছি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনারা যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করেন, তাহলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT