1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Golam Saroar : Golam Saroar
হ্যাঁ বা না ভোটের পক্ষে ইশতেহারে সুস্পষ্ট করতে হবে: বদিউল আলম - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

হ্যাঁ বা না ভোটের পক্ষে ইশতেহারে সুস্পষ্ট করতে হবে: বদিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে
সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাজনৈতিক দলগুলো গণভোটের ক্ষেত্রে হ্যাঁ নাকি না ভোটের পক্ষে, তা নির্বাচনি ইশতেহারে সুস্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় কেমন ইশতেহার চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তোলেন তিনি।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “যদিও দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদে সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে, কিন্তু তাদের ইশতেহারেও এটি সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহার একটি লিখিত চুক্তি। স্বাক্ষরিত না হলেও এটি ভোটারদের সঙ্গে দলগুলোর চুক্তি।কিন্তু নির্বাচনের পর ইশতেহার ছুড়ে ফেলা হয়। এই চুক্তি অমান্য করলে যেন নাগরিকদের আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকে, মানুষ যেন প্রশ্ন করার সুযোগ পায় যে দলগুলো তাদের অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়ন করেছে।”

বদিউল আলম বলেন, “নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ দিন বদলের সনদ নামে একটি ইশতেহার করেছিল।পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ তাদের সেই অঙ্গীকার ভুলে গেছে। তার মাশুলও দিতে হয়েছে দলটিকে।”

“শুধু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই যথেষ্ট নয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণে যেতে হবে।গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে হবে। প্রতিবারই যেন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে,” যোগ করেন সুজনের প্রধান নির্বাহী।

রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মেনে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।”

বিগত নির্বাচনগুলোতে জয়ী প্রার্থীদের সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে বদিউল আলম বলেন, “ক্ষমতার সঙ্গে জাদুর কাঠি রয়েছে। রাজনীতিবিদদের জানাতে হবে, ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার যে সুযোগ, রাজনীতির ব্যবসায়ীকরণ ও ব্যবসায়ের রাজনীতিকরণের অবসান তারা কীভাবে ঘটাবেন।”

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম। রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে রাখা অবশ্যক এমন ১৫টি বিষয় তুলে ধরেন তিনি৷

ওয়ারেসুল করিম বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্র পুনর্গঠন সম্ভব নয়। আসন্ন গণভোটে রাজনৈতিক দলগুলো হ্যাঁ না কি না ভোটের পক্ষে থাকবে তাও ইশতেহারে স্পষ্ট করতে হবে।”

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সুজনের কোষাধ্যক্ষ ও সুজন ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রাস্টি সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য ও নির্বাচন কার্যক্রম সমন্বয়ক একরাম হোসেন এবং সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT