1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
রোগীর মৃত্যু ঘিরে শজিমেকে সংঘর্ষ, আহত ১২ - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন

রোগীর মৃত্যু ঘিরে শজিমেকে সংঘর্ষ, আহত ১২

বগুড়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০০ বার দেখা হয়েছে
শজিমেকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ

বগুড়া প্রতিনিধি || রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। পরে নিজেদের নিরাপত্তাসহ কয়েকটি দাবিতে রাত ১২টা থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অ্যাজমাজনিত রোগে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রোগীকে মিড লেভেল ও ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা চিকিৎসা দেন। রাত সাড়ে ১০টার পর তার মৃত্যু হয়। এরপর ভুল চিকিৎসায় রোগী মারা গেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার স্বজনরা সেখানকার ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অভিযোগ করেছেন, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে রোগীর স্বজন ও ১০ থেকে ১৫ জন বহিরাগত তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ছয়জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজনের হাতের হাড় ভেঙেছে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ করেছেন, একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকের দেওয়া ভুল ইনজেকশনের কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে চিকিৎসকদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা তাদের সঙ্গে থাকা ছয়জনকে মারধর করে হাসপাতালের ভেতরে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখেন।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, “মারামারির খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ হাসপাতালে যায়। সেখানে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে রোগীর ছয় স্বজনকে হাসপাতালে আটকে রাখার বিষয়টিও পুলিশ জানতে পারে।”

তিনি বলেন, “হাসপাতালে পৌঁছানোর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ওই ছয়জনকে উদ্ধার করে ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে চারজন অসুস্থ থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং দুজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। ওই ছয়জনের মধ্যে চারজন মহানগর ছাত্রদলের বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির নেতা বলে জানতে পেরেছি।”

শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মঞ্জুর ই মুর্শেদ বলেন, “রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বহিরাগতরা ইন্টার্ন ও মিড লেভেলের ছয়জন চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায়। তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বাকি তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলেও মিড লেভেল ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের সেবায় নিয়োজিত করা হয়েছে। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রয়েছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT