1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান তিতুমীরের - দৈনিক প্রথম ডাক
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান তিতুমীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক || নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার কেবল সরকারি কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, বাসযোগ্য পৃথিবী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে হলে প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আর সে লক্ষ্যেই সমাজজুড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

রবিবার (২আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামে (ইআরএফ) অনুষ্ঠিত ‘বিকেন্দ্রায়িত নবায়নযোগ্য জ্বালানি: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুৎ সমাধান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইআরএফ ও ডিস্ট্রিবিউটেড রিনিউয়েবল এনার্জি প্ল্যাটফর্ম (ডিআরইপি) যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সমাজের ভেতর থেকে চাহিদা তৈরি না হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করবে না। তাই নাগরিক সমাজ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনার কথা শুনে আসলেও বাস্তব প্রয়োগ এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বর্তমান গ্যাস সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, রান্নার কাজে সৌরশক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হতো।

সরকার স্থানীয় উৎপাদনভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে সরকার কাজ করছে। কোথায় কোথায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব, তা চিহ্নিত করে আমদানিনির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কর কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের গ্যাস সংকট ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ব্যয় বাড়তে থাকায় বিকেন্দ্রায়িত নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। বিশেষ করে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিতে সৌরশক্তির ব্যবহার, ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং সৌরবিদ্যুতের বিস্তারে নীতিগত সংস্কার, সহজ অর্থায়ন, কর-শুল্ক সুবিধা এবং একক অনুমোদন ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজন রয়েছে।

ডিস্ট্রিবিউটেড রিনিউয়েবল এনার্জি প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে বিকেন্দ্রায়িত নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

সিপিডির গবেষণা সহযোগী মো. মেহেদী হাসান শামীম জানান, ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের প্রায় ৪৫ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। তিনি নেট মিটারিংয়ের আবেদনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের কোম্পানি সেক্রেটারি এ এস এম মুনির বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে একাধিক সংস্থার অনুমোদনের পরিবর্তে একক অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামের ওপর কর-সুবিধা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থাও জরুরি।

কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী বলেন, দেশের মাত্র ১০ শতাংশ পরিবার এক কিলোওয়াট করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারলে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কমে আসবে। এজন্য রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ জনপ্রিয় করতে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা প্রয়োজন বলেও তিনি মত দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT