1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
কক্সবাজারে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে জনগণকেন্দ্রিক করার ওপর গুরুত্ব স্পিকারের শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় আটকে গেল কুবি শিক্ষার্থীর সনদ বেরোবিতে ১৮ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস ও মেরিট অ্যাওয়ার্ড জবি ফিচার, কলাম ও কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে ফাহিম-অমি ঢাবির বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চায় শিক্ষক সমাজ ঢাবি হলের ভিপি রাত্রীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি নোবিপ্রবিতে তুরস্কের সাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল ছুটির দিনে একটু বেশি ঘুম কতটা উপাকারী?

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক || বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। জন্মলগ্নের প্রত্যয় ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৪৮ বছরে দলটি সুসময়-দুঃসময়ের মুখোমুখি হয়েছে বারংবার। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলের প্রবীণ নেতারা ১৯৭৮ সালে দলের আত্মপ্রকাশের সময় এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ১৯ দফা কর্মসূচির কথা স্মরণ করছেন। প্রায় অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও ১৯ দফা এখনো বিএনপির পথনির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

রাজনৈতিক নথিপত্রে দেখা যায়, আত্মনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও জাতীয় ঐক্য ছিল ১৯ দফার মূল লক্ষ্য। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এগুলো বিএনপির আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক নীতি-কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক নথি অনুযায়ী, ১৯ দফার প্রথম দফায় যেকোনো মূল্যে দেশের ‘সার্বভৌমত্ব’ রক্ষার কথা বলা হয়। দ্বিতীয় দফায় জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে চারটি সাংবিধানিক মূলনীতি সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সমাজতন্ত্র উল্লেখ করা হয়। এখানে সমাজতন্ত্র বলতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারকে বোঝানো হয়েছে।

তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় প্রশাসনের সব স্তর এবং উন্নয়ন কর্মসূচিতে ‘জনগণের অংশগ্রহণ’ ও ‘আত্মনির্ভরতা’ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। ধর্ম, বর্ণ ও মতাদর্শ নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি জোরদারের ওপরও ১৯ দফায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের ‘কৃষির উন্নয়ন’ এবং বন্যা ও খরার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নিম্নভূমির বদ্বীপাঞ্চলে যথাযথ ‘পানি ব্যবস্থাপনার’ প্রয়োজনীয়তাও ১৯ দফায় জোরালোভাবে স্বীকৃত হয়। শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং এ খাতে উৎপাদন সর্বাধিক করার লক্ষ্যে শিল্প উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরবর্তী দফায় সব নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তার মাধ্যমে জনগণের ‘মৌলিক চাহিদা’ পূরণের কথা বলা হয়। পাশাপাশি দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়।

১৯ দফায় ‘গ্রামীণ উন্নয়ন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্থান পায়। নগর ও গ্রামের মধ্যকার বৈষম্য দূর করে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজননস্বাস্থ্য কর্মসূচির মাধ্যমে ‘জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ’ নীতির আওতায় দেশের জনসংখ্যা স্থিতিশীল করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরবর্তী দফাগুলোতে দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শ্রমিকের অধিকার, সিভিল সার্ভিস সংস্কার, ভূমি সংস্কার, বেসরকারি খাতে প্রণোদনা এবং যুবসমাজের ক্ষমতায়নের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নারীর ‘অধিকার’ সমুন্নত রাখার পাশাপাশি উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্ততা এবং তাদের মর্যাদা ও আর্থসামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর ১৯ দফায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সমতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের কথাও এতে বলা হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান তার সরকারের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক মূলনীতি এবং দিকনির্দেশক কর্মসূচি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯ দফা গ্রহণ করেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল ঐতিহাসিক ১৯ দফা ঘোষণা করার পর ৪৯ বছর পেরিয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এসে দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে একই ভিশন অনুসরণ করছে বলে দলটির নেতারা মনে করছেন।

সূত্র: বাসস।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT