1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ - দৈনিক প্রথম ডাক
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ

বিশেষ প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৪ বার দেখা হয়েছে
সালমান এফ রহমান। ফাইল ছবি

বিশেষ প্রতিবেদক || ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ১২ একর ১৬ শতাংশ (৩৬ বিঘা) জমি ক্রোক ও একটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (স্থগিত) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন, আত্মসাৎ ও স্থানান্তরের অভিযোগে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন এসব সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজ চেয়ে আবেদন করেন।

এতে বলা হয়, সালমান এফ রহমানসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর সহযোগিতায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল শাখার মর্টগেজ দেওয়া সম্পত্তির অস্বাভাবিক অতি মূল্যায়ন করে জনসাধারণের কাছে বন্ড বিক্রির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ১ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করে শ্রীপুর টাউনশিপ লিমিটেডের জেডসিবি চলতি হিসাবে জমা করেন। পরে সেখান থেকে রিডেম্পশন অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর করে অবশিষ্ট ৮০০ কোটি টাকা (সরকারি অর্থ) বেক্সিমকো ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডসহ বেক্সিমকো গ্রুপ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর করেন। সেখান থেকে ব্যাংকিং নিয়মের তোয়াক্কা না করে নগদে ও বিভিন্ন রকম সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। আত্মসাৎ করা অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে লেয়ারিং করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

মামলা তদন্তে রেকর্ড পর্যালোচনায় আসামি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান শ্রীপুর টাউন শিপ লিমিটেডের নামে গাজীপুরে ১২ একর ১৬ শতাংশ স্থাবর ও একটি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তে জানা গেছে, আসামিরা ব্যাংক হিসাবের অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর এবং স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তরের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। এটি করতে পারলে এই মামলার বিচার শেষে সাজার অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় হতে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করাসহ সব উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। এজন্য এসব সম্পদ হস্তান্তর ও স্থানান্তর করতে না পারেন সে লক্ষ্যে স্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবটি ফ্রিজ করা দরকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT