1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ভাইরাল জ্বর হলে কী খাবেন, কী খাবেন না - দৈনিক প্রথম ডাক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

ভাইরাল জ্বর হলে কী খাবেন, কী খাবেন না

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৮ বার দেখা হয়েছে
ছবি: প্রতীকী

স্বাস্থ্য ডেস্ক || চিকিৎসকেরা বলেন, ‘‘ভাইরাল জ্বর সাধারণত আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় হয়ে থাকে। এটি ছোঁয়াচে রোগ। এর লক্ষণের মধ্যে আছে উচ্চ তাপমাত্রা, মাথাব্যথা, সর্দি, কাশি ও গা-হাত-পায়ে ব্যথা।’’

ভাইরাল জ্বর সারলেও দুর্বলতা থেকে যায় বেশ কিছু দিন। জ্বরের সময়ে ও সেরে ওঠার পরে কী কী খাবেন ও কোন কোনটি বাদ দেবেন, তা জেনে রাখা জরুরি।

জ্বরের সময়ে কী কী খাবেন?
জ্বর বা যে কোনও অসুস্থতার সময়ে পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে সবচেয়ে ভাল হল স্যুপ। সব্জি দিয়ে হালকা স্যুপ বা চিকেন দিয়ে স্যুপে ভরপুর পুষ্টি থাকে। এতে যেমন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানগুলি ভরপুর মাত্রায় থাকে, তেমনই ফাইবারও পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। এই সময়ে মুসুর ডালের স্যুপ খেতে পারেন।

হালকা ও তরল খাবারই বেশি খেতে হবে এই সময়ে। টাটকা ফলের রস বা স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন।

জ্বরের সময়ে দুধ-চিনি দেওয়া চা বা কফি পান করলে শরীরে ক্যাফিনের মাত্রা বাড়বে। এতে প্রদাহ তৈরি হবে। এই সময়ে গ্রিন টি বা ভেষজ চা দুই বেলা পান করলে আরাম পাবেন। এর জন্য দারচিনি বা তুলসীর চা খেতে পারেন।

জ্বর কমে যাওয়ার পরে: জ্বর সেরে যাওয়ার পরেও দুর্বলতা থাকতে পারে। এই সময়ে কিছু খাবার খেলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

এক. প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট এবং খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ ডাব, যা দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করবে। ডাবের পানি পান করলে শরীরে পানি ও খনিজের ভারসাম্যও বজায় থাকবে।

দুই. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন ডিমের সাদা অংশ, মাছ, মুরগির মাংস চর্বি বাদ দিয়ে, দুধ–দই ও নিরামিষের মধ্যে ছোলা, মুসুর ডাল, সয়াবিন ও নানা রকম বাদাম খেতে পারেন।

তিন. ভাতের সঙ্গে চিকেন স্ট্যু, পাতলা করে রান্না করা মাছের ঝোল খেতে পারেন।

চার. মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। গলা ব্যথা বা কাশি কমাতেও সাহায্য করে। কুসুম গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে উপকার পাবেন।

কী কী খাবেন না?
অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার, যেমন, নরম পানীয়, চকোলেট, আইসক্রিম খাবেন না।

কেটে রাখা ফল দিয়ে বানানো সালাদ না খাওয়াই ভাল।

ফ্রিজে রেখে দেওয়া পাউরুটি, বাসি খাবার ভুলেও খাবেন না।

চিপ্‌স, সসেজ, জাঙ্ক ফুড, যে কোনও প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া চলবে না।

রাস্তায় বিক্রি হওয়া লাচ্ছি বা শরবত খাবেন না।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT