1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
নরসিংদীতে উন্নত চিকিৎসা সোনার হরিণ, অকেজো ৪০ কোটির আধুনিক ভবন - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

নরসিংদীতে উন্নত চিকিৎসা সোনার হরিণ, অকেজো ৪০ কোটির আধুনিক ভবন

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০০ বার দেখা হয়েছে
নরসিংদীতে ৪০ কোটি টাকায় নির্মিত ২৫০ শয্যার নতুন ভবন।

নরসিংদী প্রতিনিধি || নরসিংদীতে উন্নত চিকিৎসার স্বপ্ন যেন কেবলই সোনার হরিণ, ধরা দিয়েও অধরা। আধুনিক যন্ত্রপাতি, আইসিইউ (ICU) ও সিসিইউ (CCU) সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪০ কোটি টাকায় নির্মিত ২৫০ শয্যার নতুন ভবনটি নির্মাণের ৫ বছর পরেও তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর জনবল সংকটের দোহাই দিয়ে আটকে আছে এই বিশাল স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প। ফলে পুরোনো ১০০ শয্যার জরাজীর্ণ ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা নিচ্ছেন হাজারো মানুষ।

নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করতে ২০১৯ সালে প্রায় ৪০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ তলা বিশিষ্ট এই আধুনিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালেই ভবনের কাজ শতভাগ শেষ করে গণপূর্ত বিভাগ। অথচ দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভবনটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে পূর্ণাঙ্গভাবে হস্তান্তর বা সেবা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। আধুনিক এই ভবনে ৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও জরুরি বিভাগের বিশেষ সুবিধা থাকলেও সেগুলো এখন অব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

রোগীর চাপে দিশেহারা পুরনো জেলা হাসপাতাল
সরেজমিনে দেখা যায়, ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০০০ থেকে ১২০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। ইনডোরে শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় মেঝে, বারান্দা এমনকি সিঁড়ির পাশেও রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

বেলাব উপজেলা থেকে আসা রোগী রহিমা খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে পা ব্যথা হয়ে গেছে। পাশেই বিশাল বড় নতুন হাসপাতাল তৈরি হয়ে আছে, অথচ আমাদের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কেন এই বিল্ডিংটা খুলে দেওয়া হচ্ছে না?”

চিকিৎসকদের অসহায়ত্ব ও জনবল সংকট
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এএনএম মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা প্রতিদিন আমাদের সক্ষমতার তিনগুণ বেশি রোগী দেখছি। ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে ২৫০ শয্যার সেবা পরিচালনা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বারবার চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। জনবল না পেলে এই বিশাল অবকাঠামো চালু করা অসম্ভব।”

ঢাকার বিকল্প হতে পারতো এই হাসপাতাল
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় এই হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনার রোগী সবচেয়ে বেশি আসে। উন্নত যন্ত্রপাতি ও আধুনিক আইসিইউ থাকলে বহু মুমূর্ষু রোগীকে আর ঢাকা পাঠানোর প্রয়োজন হতো না। এতে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হতো। নরসিংদীসহ পার্শ্ববর্তী ভৈরব, নবীনগর ও রায়পুরার ২৫ লাখ মানুষের প্রাণের দাবি—দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে এই আধুনিক হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT