1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ইরানের নারীরা পেতে যাচ্ছেন বাইক চালানোর লাইসেন্স - দৈনিক প্রথম ডাক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

ইরানের নারীরা পেতে যাচ্ছেন বাইক চালানোর লাইসেন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || ইরানের নারীরা এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পেতে যাচ্ছেন। এর ফলে দুই চাকার গাড়ি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলা আইনি অস্পষ্টতার অবসান ঘটেছে। বুধবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

আইনটিতে আগে নারীদের মোটরসাইকেল এবং স্কুটার চালানো স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়নি, কিন্তু বাস্তবে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাতো। আইনি ধূসর অঞ্চলের কারণে, দুর্ঘটনার শিকার হলেও নারীদের আইনত দায়ী করা হতো।

ইরানি বার্তা সংস্থা ইলনা জানিয়েছে, ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ মঙ্গলবার ট্রাফিক কোড স্পষ্ট করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন, যা জানুয়ারির শেষের দিকে ইরানের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছিল।

প্রস্তাবটিতে ট্রাফিক পুলিশকে “নারী আবেদনকারীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান, পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি পরীক্ষা আয়োজন এবং নারীদের মোটরসাইকেল চালকের লাইসেন্স প্রদান” বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ইরানজুড়ে বিক্ষোভের এক ঢেউয়ের পরে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই বিক্ষোভ প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক অভিযোগের কারণে শুরু হয়েছিল কিন্তু গত মাসে এটি দেশব্যাপী সরকার বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছিল।

তেহরান স্বীকার করেছে যে অস্থিরতার সময় তিন হাজারেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে। তবে এদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং পথচারী ছিলেন।

১৯৭৯ সালের ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে নারীরা বেশ কিছু সামাজিক বিধিনিষেধের মুখোমুখি হয়েছেন। নারীদের জনসমক্ষে মাথার স্কার্ফ দিয়ে তাদের চুল ঢাকতে হবে এবং শালীন, ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেকেই এই নিয়মগুলো অমান্য করেছেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মোটরসাইকেলে নারীদের সংখ্যা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT