1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
চালুর আগেই অচল অর্ধকোটি টাকার সৌর সেচ প্রকল্প - দৈনিক প্রথম ডাক
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন

চালুর আগেই অচল অর্ধকোটি টাকার সৌর সেচ প্রকল্প

পাবনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি || প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা সৌরচালিত সেচ প্রকল্প চালু হওয়ার আগেই অচল হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় খনন করা নদীর পানি কৃষিজমিতে পৌঁছে দিতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর শুরু করে দুটি সৌরচালিত সেচ পাম্প স্থাপনের কাজ; যা শেষ হয় ২০২৪ সালের ২৮ মে। কিন্তু, সেটি চালু হওয়ার আগেই পাম্প দুটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। কারণ পাম্পের সৌর প্যানেল, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।

কৃষকদের দাবি, স্থান নির্বাচন সঠিক না হওয়ায় শুরু থেকেই প্রকল্পটি নিয়ে প্রশ্ন ছিল। ধানক্ষেতের বদলে সবজি চাষের এলাকায় পাম্প বসানো হলে কৃষকরা বেশি উপকৃত হতেন। এর মধ্যে যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় পুরো উদ্যোগই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ইছামতি নদীর ভূ-উপরিস্থ পানি সেচকাজে ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে পরীক্ষামুলকভাবে প্রায় ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সৌরচালিত সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বিএমডিএ। তবে, চালুর আগেই যন্ত্রাংশ চুরি ও প্রকল্প অচল হয়ে পড়ায় সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশে নেওয়া এই প্রকল্প এখন পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত স্থাপনায়। দ্রুত তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত এবং প্রকল্পটি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষক আবুল কাশেম বলেন, “তার চুরি হয়, ওরা লাগায়, আবার চুরি হয়, আবার লাগায়। আমরা জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে পড়েছি বিপদে। ধানক্ষেতের বদলে সবজি চাষের এলাকায় পাম্প বসানো হলে কৃষকরা বেশি উপকৃত হতেন।”

কৃষক আক্কাস আলী বলেন, “মোটামুটি সব কাজ শেষ হয়ে গেছিল। আমরা জানি, শুধু লাইন টানবে। কিন্তু তার আগে তার চুরি হয়। এরপর কোনো তদারকি না থাকায় দিনের পর দিন সব জিনিসই প্রায় চুরি হয়ে গেছে।”

সৌরচালিত সেচ প্রকল্পের ঠিকাদার রুহুল হোসেন বলেন, “দুই দফায় তার ও যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ায় আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এখনো আংশিক বিল পাওয়া বাকি। প্রথমবার তার ও যন্ত্রাংশ চুরির ক্ষতিপূরণ দিয়েছি। মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম, আবারো তার ও যন্ত্রাংশ আবার চুরি হয়েছে। এবার আর আমার পক্ষে ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব না।”

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুন্নাহার বলেন, “বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুটি সেচ পাম্পের যন্ত্রাংশ চুরির বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT