1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
গাইবান্ধায় ২ বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি - দৈনিক প্রথম ডাক
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::

গাইবান্ধায় ২ বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি || গাইবান্ধার দুটি বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় একজনও পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা বিদ্যালয় দুটি হলো পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং অন্যটি সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক ও পাঁচজন কর্মচারী মিলে ৩ জন শিক্ষার্থীর কাউকে পাস করাতে পারেননি। ওই বিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষার্থী এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি। বিদ্যালয়টিতে মোট ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী সরকারি বেতন-ভাতা তুলছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। ২০২৫ সালে নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনুমতি পায়। ওই বছর ৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়া সবাই মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।

শতভাগ ফেলের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন বলেন, এর আগে বিদ্যালয়টির ফলাফল এমন বিপর্যয় হয়নি। তিনজন শিক্ষার্থী সবাই গণিতে ফেল করেছে। এর অন্যতম কারণ, গণিত শিক্ষক ফারুক খালেক। তিনি দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ। তাছাড়া বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে আছেন।

অন্যদিকে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু তারা কেউ পাস করেনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষক এবং ৬ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। শতভাগ ফেলের বিষয়টি নিন্দনীয়। এ ব্যাপারে জেলা কর্মকর্তার নির্দেশে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক না থাকায় এ ব্যাপারে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ সব বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, কেন এবং কী কারণে শতভাগ ফেল হয়েছে, বিদ্যালয় দুটির প্রধানের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শন করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এমপিওভুক্ত কোনো বিদ্যালয় থেকে এ ধরনের ফলাফল একেবারে অপ্রত্যাশিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT