1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
যে ১০ কারণে রাষ্ট্রপতি হতে পারেন মির্জা ফখরুল - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সান্ত্বনা বার্তা নিয়ে বাবা হারানো মেসির পাশে রোনালদো ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে গুপ্তহত্যার হুমকির তথ্য দিয়েছিল ইসরায়েল মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের নির্ভুল তালিকার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : মনোনয়ন জমা দিতে আজ ইসিতে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত বালুমহালে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, ভিডিও ভাইরাল কুষ্টিয়ায় জোড়া লাগা যমজ শিশু দুটি মারা গেছে ‘লগান’ সিনেমার আমিরের সেই নায়িকা এখন কী করেন? লাঞ্চে আগে বাংলাদেশের দাপট, অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৭৪ রান সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের নাবিকরা যে ১০ কারণে রাষ্ট্রপতি হতে পারেন মির্জা ফখরুল

যে ১০ কারণে রাষ্ট্রপতি হতে পারেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক || বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি বিএনপি। সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি পদে তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন বলে অভিমত রাজনৈতক বিশ্লেষকদের।

দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ বঙ্গভবনের সম্ভাব্য অভিভাবক হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়নের গুঞ্জন কেবল বিএনপির দলীয় রাজনীতিতেই নয়, সাধারণ মানুষের মাঝেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। কিন্তু, কেন দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও রাজপথের নাগরিকরা তাকে এই পদের জন্য সবচেয়ে যোগ্য মনে করছেন? সাধারণ মানুষের অভিমত, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাবনা এবং তৃণমূলের প্রত্যাশার আলোকে উঠে এসেছে ১০টি প্রধান কারণ।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতি পর্যন্ত দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং দলের মহাসচিব পদে দীর্ঘ ১৬ বছর সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যোগ্য করে তুলেছে।

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সংকটকালে দৃঢ় ও অনুগত নেতৃত্ব
বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি অনেক সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেবল একজন রাজনীতিক নন, বরং সংকটের কান্ডারি। টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিরোধী দলের মহাসচিব হিসেবে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন তিনি। বিশেষ করে দলের দুই প্রধান নেতা খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের লন্ডনে নির্বাসনের পুরোটা সময় তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ছয়বার কারাগারে যান। নানামুখী নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মুখে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। দলের প্রতি তার একনিষ্ঠতা ও নীতিতে অবিচল থাকা হাইকমান্ড ও তৃণমূলের আস্থা অর্জন করেছে।

বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যখন বিএনপি নানা প্রতীকূলতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধীরস্থির থেকে আশা দেখিয়েছেন। সবচেয়ে সংকটময় সময়ে যার ধৈর্য ও নেতৃত্বের চরম পরীক্ষা শেষ হয়েছে, রাষ্ট্রপতির মতো দায়িত্বশীল পদে তিনিই সবচেয়ে যোগ্য।

মার্জিত বক্তব্য ও সহনশীল মনোভাব
রাজপথ থেকে সংসদ- সর্বত্রই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংযত, শালীন ও যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য সর্বজনবিদিত। চরম উসকানিমূলক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তাকে কখনো অশালীন কিংবা অপ্রাসঙ্গিক ভাষা ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও জনসেবার রেকর্ড
শিক্ষকতা দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল পরবর্তীতে জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে তার যে বিশাল প্রশাসনিক ও নীতিগত কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তা রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশেষ গুরুত্ব রাখে। সাধারণ মানুষ মনে করেন, তার এই বর্ণাঢ্য প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাকে কেবল একজন আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান বানাবে না, বরং সংবিধান রক্ষা ও প্রশাসনিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশক হিসেবে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।

সুশীল সমাজে সম্মান
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক সমাজের কাছে তার আলাদা এক শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। দেশের শীর্ষ নাগরিক সমাজের সঙ্গে তিনি বহু বছর ধরে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। সাধারণ জনগণের একাংশের মতে, সুশীল সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের কাছে তার এই গ্রহণযোগ্যতা রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়ন ও সংলাপের ক্ষেত্র তৈরিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের

জাতীয় ঐক্য ও সংলাপের সম্ভাবনা
বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মির্জা ফখরুল একজন উদারপন্থি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন রাজনীতিক হওয়ার কারণে অন্যান্য নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম। তিনি জাতীয় স্বার্থে বিভেদ দূর করে রাজনৈতিক সেতুবন্ধন তৈরিতে সাহায্য করতে পারেন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, একটি নিরপেক্ষ ও কার্যকর ‘অভিভাবকত্ব’ প্রদানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হতে পারেন ভরসাস্থল।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা
বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে মির্জা ফখরুলের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সফল কূটনৈতিক আলোচনা পরিচালনা করেছেন তিনি। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ রক্ষায় তার এই পরিপক্ক অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিষয়ের বিশ্লেষকরা।

শীর্ষ নেতৃত্বের চরম আস্থার প্রতিফলন
প্রধানমন্ত্রী ও দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক সমীকরণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা সর্বজনবিদিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারপ্রধান (প্রধানমন্ত্রী) এবং রাষ্ট্রপ্রধানের (রাষ্ট্রপতি) মধ্যে যদি পারস্পরিক আস্থা ও চমৎকার সমন্বয় থাকে, তাহলে দেশের শাসনব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। সাধারণ মানুষ মনে করেন, এই আস্থার সম্পর্কের ফলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে একটি সুন্দর ও গঠনমূলক কাজের পরিবেশ বজায় থাকবে।

ত্যাগের স্বীকৃতি
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নকে সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীরা খুবই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। এটিকে ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, রাজনীতিতে এখন ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন বিরল। মির্জা ফখরুল সারা জীবন দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য জেল খেটেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাকে বঙ্গভবনে বসানো মানে সাধারণ মানুষের ত্যাগকে সম্মান জানানো।

আ. লীগ সরকারের সময় ছয়বার কারাগারে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। দলীয় কর্মীদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে সংবিধান রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখতে তার মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদই সবচেয়ে উপযুক্ত।

সাধারণ মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে আসার পর তিনি দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কেবল সংবিধান ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করবেন এবং দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সবসময় তৎপর থাকবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT