খেলাধুলা ডেস্ক || বাবাকে হারানোর শোক কাটিয়ে আগের ম্যাচেই মাঠে ফিরেছিলেন লিওনেল মেসি, লিগস কাপের সেই ম্যাচটা হারে মায়ামি। কিন্তু সেই ম্যাচে শুরুর একাদশে চিলেন না মেসি। কিন্তু শনিবার দিবাগত রাতে ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে শুরু থেকেই খেললেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। তবে ইন্টার মায়ামির ম্যাচ শেষ করল হতাশায়। মেজর লিগ সকারে ন্যাশভিলের কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে মেসির দল।
এই ম্যাচে জিতলে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠার সুযোগ ছিল মায়ামির। অথচ বড় হারে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের ব্যবধান এখন বেড়ে হয়েছে পাঁচ পয়েন্ট।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি মায়ামির টানা তৃতীয় হার। এর আগে লিগস কাপে মনতেরেরির কাছে ২-১ এবং ক্লাব লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছিল তারা। ন্যাশভিলের বিপক্ষেও আগের দুই ম্যাচের মতো মায়ামির রক্ষণে দেখা গেছে সমন্বয়হীনতা।
ঘরের মাঠে ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। অ্যান্ডি নাজারের গোলে শুরু হয় মায়ামির বিপর্যয়ের গল্প। ছয় মিনিট পর অবশ্য সমতায় ফেরার সুযোগ আসে তাদের সামনে। পেনাল্টি পায় মায়ামি। কিন্তু মেসির নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিল গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়াক।
তবু প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ম্যাচে ফেরে মায়ামি। যোগ করা সময়ে মেসির নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন তেলাসকো সেগোভিয়া। তাঁর দুর্দান্ত ডান পায়ের শটে ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
কিন্তু বিরতির পর মায়ামির রক্ষণ যেন একেবারেই ভেঙে পড়ে। ৪৯ মিনিটে হানান মোখতারের গোলে আবার এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। ৫৭ মিনিটে স্যাম সারিজ ব্যবধান বাড়ান। আর ৬৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে মায়ামির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন মোখতার।
মেসির জন্যও রাতটি ছিল হতাশার। বাবার মৃত্যুর পর এই প্রথম তিনি মায়ামির শুরুর একাদশে ফিরেছিলেন। একটি গোলে সহায়তা করলেও পেনাল্টি মিস করেছেন, ৫৯ মিনিটে দেখেছেন হলুদ কার্ড।
যোগ করা সময়ে অবশ্য নাটকীয়ভাবে গোলের খুব কাছে গিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। পরপর দুটি শট পোস্টে লাগে। এরপর জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি গোল হিসেবে গণ্য হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ন্যাশভিল। আর বাবাকে হারানোর চার দিন পর মাঠে ফেরা মেসির প্রত্যাবর্তনের রাতটি শেষ হয় আরেকটি পরাজয়ের হতাশায়।