নোয়াখালী প্রতিনিধি || নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে যুবদলের সাবেক নেতা মো. সোহাগ ওরফে সোহেলকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
গুলিবিদ্ধ সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি একই গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মো. মাহফুজ মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই চার বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন সোহেল। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পাশের আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে পথরোধ করে মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে রবিবার রাতে স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে একদল লোক সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। স্থানীয়রা দ্রুত সোহেলকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেন, “গোপালপুর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করাই কঠিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে পালিয়ে যায়।”
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, “এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।”
বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, “এলজির ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন সোহেল। রাজনৈতিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”