1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
‘রিফাতকে আপনারা বাঁচান’ বাবা-মায়ের আকুতি - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::

‘রিফাতকে আপনারা বাঁচান’ বাবা-মায়ের আকুতি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
রিফাত

পঞ্চগড় প্রতিনিধি || বয়স মাত্র সাত মাস। এ বয়সে পরিবারের আদর-যত্নে বেড়ে ওঠার কথা ছোট্ট রিফাতের। কিন্তু রিফাতের পরিবারের কারো মনে স্বস্তি নেই। দুশ্চিন্তায় মায়ের মন মানে না। বাবা দিশেহারা। আদরের সন্তান জন্মের পর থেকেই রোগে ভুগছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানিয়েছেন, রিফাতের হৃদপিণ্ডে ছিদ্র রয়েছে। তাকে বাঁচাতে দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।

রিফাত পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলের পশ্চিম বাগান এলাকার চা শ্রমিক শহিদুল ইসলামের ছেলে। পরিবারে সদস্যসংখ্যা পাঁচ। চা পাতা তুলে কোনোমতে সংসার চালান শহিদুল। সামান্য আয়ে নিত্যদিনের খরচ মেটাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে সন্তানের জটিল রোগের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা অসম্ভব। সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতোমধ্যে জমানো অর্থ তিনি শেষ করেছেন। আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার-দেনা করেছেন। তারপরও অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বড় অংশ জোগাড় করতে পারেননি তিনি। ফলে রিফাতের চিকিৎসা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমি দিনমজুরি করে সংসার চালাই। ছেলের চিকিৎসার জন্য যা কিছু ছিল সব শেষ করেছি। অনেকের কাছ থেকে ধার-দেনাও করেছি। এখন অপারেশনের জন্য যে টাকা প্রয়োজন, তা আমার একার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমি আমার সন্তানকে বাঁচাতে চাই।’’

সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে আমার ছেলেটা বেঁচে যেতে পারে। আকুল কণ্ঠে বলেন শহিদুল।

রিফাতের মা রুপিয়া আক্তারের আকুতি, অর্থের অভাবে যেন রিফাতের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে না যায়। তিনি বলেন, সামর্থ্যের সবটুকু ব্যয় করেও চিকিৎসার টাকা এখনো সংগ্রহ করতে পারিনি। মা হয়ে ছোট্ট বাচ্চার কষ্ট সহ্য করতে পারি না। চিকিৎসক বলেছে, অস্ত্রোপচার যত দেরি হবে ততই জটিলতা বাড়বে।

হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, রিফাতের পরিবার খুবই অসহায়। শিশুটির দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT