1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
কলমাকান্দায় উদযাপিত গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
কক্সবাজারে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে জনগণকেন্দ্রিক করার ওপর গুরুত্ব স্পিকারের শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় আটকে গেল কুবি শিক্ষার্থীর সনদ বেরোবিতে ১৮ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস ও মেরিট অ্যাওয়ার্ড জবি ফিচার, কলাম ও কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে ফাহিম-অমি ঢাবির বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চায় শিক্ষক সমাজ ঢাবি হলের ভিপি রাত্রীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি নোবিপ্রবিতে তুরস্কের সাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল ছুটির দিনে একটু বেশি ঘুম কতটা উপাকারী?

কলমাকান্দায় উদযাপিত গারোদের নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে
ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ওয়ানগালা উৎসবে অংশ নেন গারো সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা।

নেত্রকোণা প্রতিনিধি || ‘শস্য দেবতার’ প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভালো ফসলের জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’ পালন করেছে গারো সম্প্রদায়।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পাঁচগাঁও সেন্ট পিটার্স চার্চ সাব-প্যারিস গীর্জার মাঠে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, আলোচনা ও নাচ-গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চয়ন রিছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, বাংলা একাডেমির কবি ও পরিচালক ড. সরকার আমিন এবং কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ পিসিসি সংস্থার পরিচালক সিলভেস্টার গমেজ।

‘ওয়ানগালা’ শুধু উৎসব নয় এটি গারোদের কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম একটি প্রকাশ।

উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বে গারো শিল্পীরা নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ছিল নতুন ধানের ফসল উৎসর্গ এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জুম নাচ’। উৎসবে নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেন। কারো মাথায় খুতুপে পাগড়ি, কারো গলায় মোরগের পালক দিয়ে তৈরি অলংকার।

মাঠজুড়ে বসেছিল অস্থায়ী দোকান, যেখানে পাওয়া গেছে আদিবাসীদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার ও খাবার। উৎসব আয়োজন করেছে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি। সহযোগিতা করেছে কলমাকান্দার আলোক ও ইসিএলআরসি প্রকল্প।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT