1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
মাদুরোকে ধরার ঘটনা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের উস্কানিমূলক দৃষ্টান্ত - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

মাদুরোকে ধরার ঘটনা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের উস্কানিমূলক দৃষ্টান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ধরে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র, শনিবার এমনটি দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলার প্রাণকেন্দ্রে সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রবল হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার স্ত্রীসহ ধরে নিয়ে যাওয়ার বিরল ঘটনা বিশ্বের অন্যান্য পরাশক্তির জন্য একই ধরনের কাজ করতে উস্কানি দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন বিবিসির ওয়াল্ড অ্যাফেয়ার্স করেসপনডেন্ট জো ইনউড এবং কাতারের হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত।

বিশ্বের জন্য ‘নজিরবিহীন’ ঘটনা
বিবিসিতে জো ইনউড লিখেছেন, যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ডেল্টা ফোর্স পাঠিয়ে দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে থাকে, তবে এটি আধুনিক ইতিহাসে একেবারেই নজিরবিহীন ঘটনা।

এর সবচেয়ে কাছাকাছি উদাহরণ হতে পারে ১৯৮৯ সালে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হাতে পানামার নেতা ম্যানুয়েল নরিয়েগার গ্রেপ্তার।

উভয় ক্ষেত্রেই কিছু মিল রয়েছে। যেমন- দুজনই বিতর্কিত নির্বাচনে বিজয়ের দাবি করেছিলেন; দুজনের বিরুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্র মাদক পাচারের অভিযোগ এনেছিল,
এবং দুজনের ক্ষেত্রেই অভিযানের আগে ব্যাপক মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

তবে বড় পার্থক্য হলো, নরিয়েগাকে গ্রেপ্তার করার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও পানামার মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু সরাসরি যুদ্ধ হয়েছিল, যেখানে পানামার বাহিনী দ্রুত পরাজিত হয়।

নরিয়েগা পরে ভ্যাটিকানের দূতাবাসে আশ্রয় নেন এবং সেখানে ১১ দিন অবস্থান করেন। শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে ব্যবহার করা হয়। তার ওপর ‘মনস্তাত্ত্বিক নিপীড়ন’ চালানো হয়- উচ্চস্বরে টানা রক সংগীত বাজানো হয়, যেখানে ছিল দ্য ক্ল্যাশ, ভ্যান হেলেন ও ইউটু-এর গান।

পরবর্তীতে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে মাদক পাচারের দায়ে দণ্ডিত করা হয়।

নিকোলাস মাদুরোকে ধরার অভিযানের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ পায়নি। তবে যা জানা যাচ্ছে, সে অনুযায়ী এই অভিযান ছিল আরো অনেক বেশি উচ্চাভিলাষী— কোনো প্রচলিত স্থলবাহিনী ব্যবহার না করেই প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মাদুরোর ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত, তবে ধারণা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত তার পরিণতি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কারাগারেই হবে।

‘আন্তর্জাতিক আইনের সম্ভবত শেষ অধ্যায়’
কাতারের হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত আলজাজিরাকে বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের অবসান ঘটিয়েছে এবং একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও একই ধরনের উস্কানি দিয়েছে।

বারাকাত বলেন, “এটি সম্ভবত যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির কফিনে শেষ পেরেক। রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের মূল নীতিটিই কার্যত ভেঙে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “এ ধরনের অভিযান এর আগেও লেবানন ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছে ইসরায়েল। এখন তারা আমাদের পরিচিত সীমারেখা অনেক ওপরে তুলে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক নীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট পরিপন্থি।”

নজির স্থাপনের বিষয়ে বারাকাত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সামনে রেখে চীন এখন তাইওয়ানের ক্ষেত্রে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার যুক্তি দেখাতে পারে— যে ভূখণ্ডকে চীন দীর্ঘদিন ধরেই নিজের অংশ বলে দাবি করে আসছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে এবং এর নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকেতার স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার করে দেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ দেশজুড়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ একটি ভিডিও ভাষণে বলেন, “সরকার প্রেসিডেন্ট মাদুরো বা ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসের অবস্থান জানে না।”

তিনি আরো বলেন, সরকার তাদের উভয়ের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ‘জীবনের প্রমাণ’ দাবি করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT