1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ভেনেজুয়েলায় হামলার ন্যাযতায় ২০০ বছরের পুরোনো নীতি সামনে আনলেন ট্রাম্প - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

ভেনেজুয়েলায় হামলার ন্যাযতায় ২০০ বছরের পুরোনো নীতি সামনে আনলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন হস্তক্ষেপের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ২০০ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি পররাষ্ট্র নীতির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, “ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন হামলা ২০০ বছরেরও বেশি সময় আগের মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি মতবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।”

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র গতকাল শনিবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে স্ত্রীসহ আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসেছে। ট্রাম্পের দাবি, মাদুরো একজন ‘অবৈধ শাসক’, যিনি বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছেন এবং মাদক পাচারসহ গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বিশেষ বাহিনীর এই হামলার ন্যায়তায় ট্রাম্প ২০০ বছরের পুরোনো যে পররাষ্ট্র নীতির কথা বলছেন, তা মূলত ১৮২৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো ঘোষিত ‘মনরো নীতি’।

প্রেসিডেন্ট মনরো ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার জন্য সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, হস্তক্ষেপকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।

তিনি সতর্ক করে আরো বলেছিলেন, ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে বাইরের কোনো শক্তির প্রভাব বিস্তারের চেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি চ্যালেঞ্জ করবে।

১৯০৪ সালে এই নীতি একটি নতুন মোড় নেয়। যখন ইউরোপীয় ঋণদাতারা বেশ কয়েকটি ল্যাটিন আমেরিকান দেশকে হুমকি দিয়েছিল, তখন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত হওয়ার অধিকার এবং দায়িত্ব ঘোষণা করেছিলেন।

পরবর্তী ২০ বছর ধরে এই নীতিটি বিভিন্ন দেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রধান অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ডোমিনিকান রিপাবলিক, হাইতি এবং নিকারাগুয়াতে মার্কিন হামলা। আর এবার যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন হামলার অজুহাত হিসেবে পুরোনো সেই নীতিটিই সামনে আনলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসন মনে করেন, ভেনেজুয়েলায় বর্তমান সরকারের ওপর অন্য কোনো বিদেশি শক্তির (যেমন রাশিয়া বা চীন) প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়া মনরো নীতির পরিপন্থি।

ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, দক্ষিণ আমেরিকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং মাদুরো সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করাকে তারা এই ঐতিহাসিক মতবাদের আধুনিক প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন।

তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, মনরো নীতির দোহাই দিয়ে অন্য একটি স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। সমালোচকরা ট্রাম্পের পদক্ষেপটিকে ল্যাটিন আমেরিকার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য বা ‘নব্য-উপনিবেশবাদী’ আচরণের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র ল্যাটিন আমেরিকাকে এখনও তার নিজস্ব ‘প্রভাববলয়’ হিসেবে বিবেচনা করে। ১৮২৩ সালের সেই পুরোনো নীতিকে এখন মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ভেনেজুয়েলা সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT