1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
উপকূলে নিরাপদ পানি জোগানে কাজ করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ওয়ার্ল্ড ভিশন - দৈনিক প্রথম ডাক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ ::
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো বাড়েনি: শামা ওবায়েদ সম্পত্তিতে সমঅধিকার ছাড়া নারীর পূর্ণ সমতা সম্ভব নয়: মহিলা পরিষদ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান, সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নিপুন রায়কে ফোনে কথা বলতে দেখে স্পিকার, ‘লবিতে গিয়ে কথা শেষ করে আসুন’ এনআইডি অনিয়মে ইসির ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত তামিমকে ছাড়িয়ে সবার উপরে হৃদয় যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২, আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

উপকূলে নিরাপদ পানি জোগানে কাজ করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ওয়ার্ল্ড ভিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক || দেশের জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে নিরাপদ পানির সরবরাহ এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। এ উদ্দেশ্যে দুটি পৃথক প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

প্রকল্পের একটিতে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও পরিবেশগত পরিবর্তনে জলবায়ুকে সহনশীল করতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সুন্দরবনকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বিরূপ আবহাওয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রাচীর হিসেবে ধরা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি পুনরুদ্ধার ও প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হবে। এটি স্থানীয় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই পরিবেশগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে।

আরেক প্রকল্পের কর্মসূচির মাধ্যমে উপকূলীয় জেলাগুলোতে নিরাপদ খাবার পানি সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অনেকে বিশেষ করে নারী ও কিশোরীরা প্রতিদিন নিরাপদ পানি সংগ্রহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করে। অনেক সময় পানির খোঁজে তাদের দূরদূরান্তে হেঁটে যেতে হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও উপার্জনমূলক কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আশা করা হচ্ছে, নারী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের মাধ্যমে কর্মসূচির দুটি থেকে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

যৌথ এই উদ্যোগ সম্পর্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, “বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা প্রতিদিনের বাস্তবতা- হোক তা চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়া কিংবা নিরাপদ খাবার পানি পাওয়ার জন্য অবিরত সংগ্রাম। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে তাদের জীবিকা রক্ষা, নিরাপদ পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকির বিরুদ্ধে সহনশীলতা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।”

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট বলেন, “আমরা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ বিশ্বাস করি, টেকসই পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন স্থানীয় জনগোষ্ঠী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রে কাজ করে। আমরা এমন প্রকল্পগুলো নিয়ে কাজ করছি, যা শুধু সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান করে না বরং বাংলাদেশের শিশু এবং তাদের পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যতও নিশ্চিত করে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সঙ্গে এই সহযোগিতা দুর্বল পরিবারগুলোকে ক্ষমতায়িত করবে এবং এমন একটি আশার ভবিষ্যত গড়ে তুলতে সাহায্য করবে যেখানে প্রতিটি শিশু-ই বিকশিত হতে পারবে আপন শক্তিতে।”

এই উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন ও করপোরেট দায়িত্বশীলতার বিষয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বৃহত্তর অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যেখানে বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নিরাপদ পানির প্রবেশাধিকার বাড়ানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও জীবিকার উন্নয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে জলবায়ু অভিযোজন ঘটানো সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT