1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
কুমিল্লায় লোডশেডিংয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ - দৈনিক প্রথম ডাক
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

কুমিল্লায় লোডশেডিংয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে।

কুমিল্লা প্রতিনিধি || তীব্র গরমের মধ্যে কুমিল্লায় বেড়েছে লোডশেডিং। দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা দুর্ভোগে পড়েছেন। এতে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা।

কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকেরা জানিয়েছেন, দিনে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি। বিদ্যুৎ আসার পরও অনেক সময় কম ভোল্টেজের কারণে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না।

নগরের শাসনগাছা এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গরমের মধ্যে একটানা দুই-তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে রাত কেটে যায়। শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, দিনে কয়েক দফা বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দোকানে ফ্রিজ ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালানো যাচ্ছে না। ব্যবসারও ক্ষতি হচ্ছে। এত গরমের মধ্যে এভাবে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

বিদ্যুৎ–সংকটে হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, জরুরি চিকিৎসা ও জটিল রোগীদের অস্ত্রোপচারেও সমস্যা হচ্ছে। বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক হাসপাতালে সেবা স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, দিন-রাত সমানতালে লোডশেডিং হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জটিল রোগীদের অস্ত্রোপচার করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, সোমবার লোডশেডিংয়ের মাত্রা এত বেশি ছিল যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিতরণ অঞ্চল, কুমিল্লার প্রধান প্রকৌশলী শেখ ফিরোজ কবির বলেন, কুমিল্লাসহ ছয় জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। বিপরীতে বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, গরমের সময় বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে বর্তমানে লোডশেডিং কিছুটা বেশি হচ্ছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT