খেলাধুলা ডেস্ক || ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফের্নান্দেজের ক্যারিয়ারে যোগ হলো আরও একটি বড় স্বীকৃতি। পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশন পিএফএ-এর বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগিজ এই মিডফিল্ডার।
মঙ্গলবার ম্যানচেস্টারে পিএফএ-এর বার্ষিক পুরস্কার অনুষ্ঠানে ব্রুনোর হাতে ওঠে পুরস্কারটি। দৌড়ে তাঁর সঙ্গে ছিলেন আর্সেনালের ডেকলান রাইস ও ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হলান্ড। এর আগে ২০১০ সালে ওয়েইন রুনি সবশেষ ইউনাইটেডের ফুটবলার হিসেবে এই পিএফএ বর্ষসেরা ট্রফি জিতেছিলেন। অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ হিসেবে পিএফএ বর্ষসেরা হলেন ফের্নান্দেজ। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে এই ট্রফি জেতেছেন রোনালদো।
গত মৌসুমটা ব্রুনোর জন্য ছিল অন্যতম সেরা। প্রিমিয়ার লিগে ৩১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার করেছেন ৯ গোল, সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন রেকর্ড ২১টি গোল। তাঁর পারফরম্যান্সেই মৌসুমের মাঝপথের ধাক্কা সামলে তৃতীয় হয়ে লিগ শেষ করে ইউনাইটেড।
পুরস্কার পাওয়ার পর ব্রুনো বলেন, ‘এটি অবশ্যই গর্বের মুহূর্ত। আপনি যাদের বিপক্ষে খেলেন, তাদের ভোটে নির্বাচিত হওয়া সহজ বিষয় নয়। তাই এটি সত্যিই দারুণ একটি মুহূর্ত।’
২০২০ সালে স্পোর্টিং সিপি থেকে ইউনাইটেডে যোগ দেওয়া ব্রুনো গত ফেব্রুয়ারিতে ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২০০ গোল-অবদানের মাইলফলকও পেরিয়েছেন। এবার পিএফএর স্বীকৃতির আগে ফটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন ও প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ইউনাইটেডে গেলেও ম্যানচেস্টারের অন্য প্রান্তেও ছিল উদযাপন। ম্যানচেস্টার সিটির নিকো ও’রেইলি জিতেছেন পিএফএর বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার। গত মৌসুমে সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ৩৪ ম্যাচ খেলেছেন ও’রেইলি। পেপ গার্দিওলার অধীনে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পুরস্কার হিসেবে জায়গা করে নেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলেও। ফেব্রুয়ারিতে কারাবাও কাপের ফাইনালে আর্সেনালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সিটির শিরোপা জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন তিনি।