1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ, উদ্ধারে পুলিশ - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ, উদ্ধারে পুলিশ

চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
সপরিবারে পিন্টু দাস। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুর প্রতিনিধি || চাঁদপুর শহরের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘এসকে শিল্পালয়’-এর সত্ত্বাধিকারী পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদ্য রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। গণ্যমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, তাদেরকে খুঁজে পেতে জোড় তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম। পিন্টুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে দশক শ্রেণির ছাত্র প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পিন্টুসহ তার পরিবারের কোনো সন্ধান পায়নি পুলিশ।

এদিকে, গণমাধ্যমে পাটোয়ারীর বাড়ির জনৈক ব্যক্তির হুমকি-ধমকির পর পিন্টু দাসসহ তার পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না- এমন সংবাদের পর খোঁজ মেলে সেই পাটোয়ারীর। তার পুরো নাম আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী। তবে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি। তিনি জানান, পিন্টু দাসের কাছ থেকে স্বর্ণলঙ্কার বাবদ ৬ লক্ষাধিক টাকা পান। যার স্ট্যাম্প রয়েছে এবং জিম্মাদার পিন্টুর স্ত্রী রিমি। যেখানে জুয়েলারি সমিতির নেতারাও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সেই টাকা চাইলে ২০ দিনের সময় নেন পিন্টু। আর এরপরই পিন্টুসহ তার পরিবার নিখোঁজ হন। এখন পিন্টুর সন্ধান চান ভুক্তভোগী এই পাটোয়ারীসহ জুয়েলারি সমিতির নেতারাও।

চাঁদপুর জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মানিক পোদ্দার বলেন, পিন্টু তাদের সমিতির সাধারণ সদস্য। তবে কার্যকরী কমিটির কেউ নন। এখন সে নিখোঁজ নাকি আত্মগোপনে- তা পুলিশ উদ্ধারের পর জানা যাবে। তবে তার অনেক দেনা-পাওনা ছিল বলে আমরাও প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পিন্টু দাস শহরের হোল্ডিং নাম্বার-৫৮ এর সৌরভিলা ভবনের চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন। সেখানে তার ইউনিটটি তালাবদ্ধ। এমনকি মদিনা মার্কেটের তার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান এস কে শিল্পালয়ও তালাবদ্ধ। তার ও তার পরিবারের এমন নিখোঁজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে শহরসহ ব্যবসায়িক অঙ্গনে।

চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে বলেন, পিন্টুরা আমাদের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। তাদের এমন নিরুদ্দেশ আমাদেরকে ভাবাচ্ছে।

পিন্টুর বাড়িওয়ালা রাসেল বলেন, ২০২৫ এর ডিসেম্বরে পিন্টু বাসা ভাড়া নেয়ার পর সবসময়ই তা পরিশোধ করতেন। তার আচার ব্যবহার ভালো ছিল। তবে গত কিছুদিন থেকে পিন্টু দাসের বাসায় পাওনাদারদের আনাগোনা দেখে কিছুটা বিচলিত হই। এরপরই দেখি তার বাসা তালাবদ্ধ।

জানা যায়, পিন্টু দাস স্বর্ণের বন্ধকী ব্যবসা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনেকের গচ্ছিত স্বর্ণালঙ্কার আর ফেরত দিতে পারছিলেন না তিনি। এছাড়াও বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার নামে লোন নিয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েন পিন্টু। একাধিক স্থানে দোকান স্থানান্তর করলেও সবশেষ তিনি মদিনা মার্কেটের নিচতলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি গ্রাহকের যে পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রাখতেন, তার চারভাগের একভাগ টাকা ঋণে দিতেন তিনি। দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম, শুভঙ্কর মজুমদার এবং রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খানসহ অনেকেই তার কাছে টাকা পান বলে প্রথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, পিন্টু দাসের মূল বাড়ি চট্টগ্রাম এবং তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। নিখোঁজ পরিবারকে উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ। ঘটনাটি দেনার দায়ে আত্মগোপন নাকি অন্য কিছু- পরিবারটিকে দ্রুত উদ্ধার করে তা পরিষ্কার করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT