1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
‘৯ বার তদন্তে আবাসিক এলাকা প্রমাণিত, তবু কেন ছাড়পত্র?’ শাহনাজ মুন্নীর প্রশ্ন - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

‘৯ বার তদন্তে আবাসিক এলাকা প্রমাণিত, তবু কেন ছাড়পত্র?’ শাহনাজ মুন্নীর প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক || নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নয়াপুরে প্রস্তাবিত একটি মশার কয়েল কারখানাকে পুনরায় পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার উদ্যোগের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক শাহনাজ মুন্নী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের নয়টি তদন্তে এলাকাটি আবাসিক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পরও কীভাবে আপিলের মাধ্যমে আবার ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে?

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ মুন্নী এ অভিযোগ করেন। এ সময় নয়াপুর গ্রামের মসজিদের পক্ষ থেকে মো. মাইনুদ্দিন মোল্লা, মন্দিরের পক্ষ থেকে সাধন সাহা এবং এলাকাবাসীর প্রতিনিধি হিসেবে কবি ও পরিবেশকর্মী শাহেদ কায়েস উপস্থিত ছিলেন।

শাহনাজ মুন্নী বলেন, প্রায় ৩০ বছর সাংবাদিক হিসেবে অন্যদের সংবাদ সম্মেলন কভার করলেও এবার পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে নিজেকেই সংবাদ সম্মেলন করতে হচ্ছে। তার অভিযোগ, ঘনবসতিপূর্ণ নয়াপুর এলাকায় মসজিদ, মন্দির ও একটি মহিলা মাদ্রাসার পাশে ‘শারমীন কেমিক্যাল ওয়ার্কস’ নামে একটি মশার কয়েল কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা চালু হলে এলাকাবাসী মারাত্মক পরিবেশ দূষণের ঝুঁকিতে পড়বে।

তিনি দাবি করেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে মোট নয়বার তদন্ত পরিচালিত হয়। প্রতিটি তদন্তেই এলাকাটি আবাসিক হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং সেখানে আইন অনুযায়ী মশার কয়েল কারখানা স্থাপনের অনুপযোগী বলে মত দেওয়া হয়। এসব তদন্তের ভিত্তিতে একপর্যায়ে কারখানার অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিলও করা হয়েছিল।

তবে শাহনাজ মুন্নীর অভিযোগ, পরে আপিলের মাধ্যমে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও পরবর্তী তদন্তে সেটিও বাতিল হয়। এখন আগামী ৬ আগস্ট আপিল কর্তৃপক্ষের শুনানির মাধ্যমে আবারও পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, একই এলাকায় আগে ‘ইমাম পোলট্রি ফার্ম’ পরিবেশ আইনের আওতায় বন্ধ করা হয়েছিল এবং বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। সে অবস্থায় আরও বেশি দূষণকারী একটি মশার কয়েল কারখানার অনুমোদনের উদ্যোগ আদালতের সিদ্ধান্তের চেতনারও পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।

শাহনাজ মুন্নী প্রস্তাবিত কারখানাটিকে পুনরায় পরিবেশগত ছাড়পত্র না দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধন করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর, মন্ত্রণালয়ের আপিল বোর্ড বাতিল করে পরিবেশ আদালতের মাধ্যমে আপিল নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালু এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘শারমীন কেমিক্যাল ওয়ার্কস’-এর ছাড়পত্র আবেদন চূড়ান্তভাবে নামঞ্জুর করার দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT