1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
সাপের কামড়ে সাপুড়ের মৃত্যু - দৈনিক প্রথম ডাক
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন

সাপের কামড়ে সাপুড়ের মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি || গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিষধর গোখরা সাপের কামড়ে আজাদুল ইসলাম ওরফে ঘুটু (৩০) নামের এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের তরফকামাল শিয়ালগাড়া গ্রামে আজাদুল ইসলামকে কামড় দেয় সাপ। প্রায় ৬ ঘণ্টা ঝাড়-ফুঁকের পর রাত ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানান, হাসপাতালে আনার আগে তার মৃত্যু হয়েছে। আজাদুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়না জানায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের আসাদ মোড়ে প্রতি মঙ্গলবার পাতা খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেই খেলা উপলক্ষে সোমবার বিকেলে আজাদুল ইসলাম কোচাশহর এলাকা থেকে একটি বিষধর সাপ ধরে আনেন। পরে নিজ বাড়িতেই সেই বিষধর সাপকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ সাপটি তাকে কামড় দেয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে বিষ নামানোর জন্য উপজেলার রাজা বিরাটের পার্শ্ববর্তী শিবসমুদ্র এলাকায় অন্য একজন ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে প্রায় ৭ ঘণ্টা ঝাড়-ফুঁক করে বিষ নামানোর চেষ্টা করা হয়।

বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে পেরে ওই রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য স্বজনদের উদ্বুদ্ধ করেন। পরে তারা রাত ১১টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন প্রামানিক জানিয়েছেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল হক বলেছেন, আজাদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় পাতা খেলায় সাপ প্রদর্শন করতেন। সম্প্রতি তিনি কলাগাছে সাপ পেঁচিয়ে খেলা দেখাতেন। মঙ্গলবার এলাকায় পাতা খেলা অনুষ্ঠানে বড় আকারের একটি সাপ প্রদর্শনের পরিকল্পনা ছিল তার। সেই উদ্দেশ্যেই নতুন ধরা সাপটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় সেটি কামড় দেয়।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদার রহমান বলেছেন, “সচেতনতার অভাবে আমাদের দেশে অনেকে সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে না এনে প্রথমে ওঝার কাছে নেন স্বজনরা। অনেক সময় বিষধর সাপ না হলে কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ওই রোগীরা সুস্থ হয়ে যান। ফলে, স্বজনেরা ভাবেন, ওঝার ঝাড়-ফুঁকে ভালো হয়ে গেছে। বিপদটা তখনই হয়, যখন বিষধর সাপ কামড়ায়। রোগীকে বাঁচাতে হলে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতাল আনতে হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT