1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
জবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ঘিরে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ - দৈনিক প্রথম ডাক
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

জবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ঘিরে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
সংঘর্ষে আহত ৩ জনের ছবির কোলাজ

জবি প্রতিনিধি || জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসসহ কয়েকটি দাবি তুলে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের সময় সংঘর্ষ হয়। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি, ছাত্রশিবিরের সভাপতিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জবি শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল বলছে, সাধারণ শিক্ষার্থীরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা বিভিন্ন দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের বাধা দেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছাত্রশিবিরকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

জকসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে দাবি তুলে ধরতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান। এতে জকসুর প্রতিনিধিরা আহত হন।” তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, হামলার পেছনে কয়েকজন শিক্ষকেরও মদদ ছিল। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিচার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

হামলার বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া বলেন, “প্রাথমিক হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আমাকে মুখে, নাকে, পায়ে ও হাতে লাথি মারা হয়েছে। তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে আমাদের কয়েকজনকে আহত করেছে। এছাড়া ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখও আহত হয়েছেন।”

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীভ বলেন, “ইউজিসি চেয়ারম্যানের অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া গণতান্ত্রিক ছিল না।” অবস্থানরত জকসু, ইনকিলাব মঞ্চ ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। একজন শিবিরকর্মীকে ২০ থেকে ৩০ জন মিলে মারধরের ঘটনাও তারা দেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ইভান তাহসীভ বলেন, “প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কারণে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। এ ধরনের দখলদারিত্বের রাজনীতি বন্ধে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জানাই।”

তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “জকসুর ব্যর্থতা ও সারা বাংলাদেশের জামায়াত-শিবিরের অপকর্ম ঢাকার জন্য তারা এসব করছে। আমরা যখন দেখি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) তারা মব করার চেষ্টা করছে, একইভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও তারা মব করার চেষ্টা করছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে তারা ছাত্রলীগের লুঙ্গি নেওয়ার মতো করে মব কালচার করে যাচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “তাদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের। আবাসনের অধিকারকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরাই প্রতিরোধ করেছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT