1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ইরান আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল: নেতানিয়াহু - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

ইরান আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর তারিখে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তার স্ত্রী সারা ইহুদি সুক্কোত উৎসব চলাকালীন তাদের দুই ছেলে ইয়ার ও আভনেরকে সঙ্গে নিয়ে তেল গেজের ও মাগশিমিম বন ভ্রমণ করেন। ছবি: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরান তার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তবে এই কথিত ষড়ষন্ত্র কখন বা কোথায় ঘটেছিল কিংবা তার কোন ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল- সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধের পর, অক্টোবর মাসের সাধারণ নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর সরকার যখন পিছিয়ে পড়েছে, ঠিক সেই সময়েই তিনি এই অভিযোগ করলেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ইসরায়েলের সরকারঘনিষ্ঠ রক্ষণশীল গণমাধ্যম ‘চ্যানেল ১৪’-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু তার ছেলের বিরুদ্ধে কথিত ইরানি ষড়ষড়ের এই দাবি তোলেন।

নেতানিয়াহু বলেন, “এটি একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল। ইরান তাকে হত্যা করার চেষ্টা করার চেষ্টা করেছিল, আমার এক ছেলেকে খুন করার চেষ্টা করেছিল।”

আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদের লড়াইয়ে নেতানিয়াহুর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে নিরাপত্তা দিতে ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা অস্বীকৃতি জানিয়েছে- এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই বক্তব্য দেন।

আইজেনকাটের জন্য সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জোর সমর্থন জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, এটি কোনো ‘বিলাসিতা নয়’।

তিনি আরো যোগ করেন, ‘সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকলে, তারা (ইরানিরা) সফল হয়ে যাবে।”

নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দ্য জেরুজালেম পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রদান করে।

নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ৩৫ বছর বয়সী ইয়াইর ২০২৪ সালের শুরুর দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি শহরে অবস্থান করছেন। সেখানে তার পেছনে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার পরিবারের চার সদস্য নিহত হোন। নিহতদের মধ্যে খামেনির মেয়ে বোশরা ও ১৪ মাস বয়সী নাতনি জোহরাও রয়েছেন।

আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান। আলি খামেনির মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়।

দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা না গেলেও, তার বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ‘রক্তের প্রতিশোধ’ নেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT