1. admin@prothomdak.com : admin :
  2. contentmgr4328@yahoo.com : contentmgr43 :
  3. contentmgr7168@outlook.com : contentmgr71 :
  4. editor@prothomdak.com : Golam Saroar : Golam Saroar
ধামরাইয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার - দৈনিক প্রথম ডাক
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

ধামরাইয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
মো. ওয়াজেদ হাজী

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || ঢাকার ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে শংকর চন্দ্র মণ্ডল (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মামলার প্রধান আসামি মো. ওয়াজেদ হাজীকে (৫০) কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানান র‍্যাব-৪-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. হালিউজ্জামান।

এর আগে, বুধবার রাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার কলাতলী ডলফিন মোড়সংলগ্ন ময়না রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে ওয়াজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে গ্রেপ্তারে র‍্যাব-৪ ও র‍্যাব-১৫ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেপ্তার ওয়াজেদ ধামরাইয়ের শরীফবাগ এলাকার মৃত ডাউরী বেপারীর ছেলে। তিনি ধামরাই থানার পশ্চিম কায়েতপাড়া এলাকায় সীমা সিনেমা হলসংলগ্ন একটি রাইস মিল ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

মোটর চুরির অভিযোগে মারধর
র‍্যাবের ভাষ্য ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে ওয়াজেদের ভাড়া নেওয়া রাইস মিল থেকে একটি বৈদ্যুতিক পানির মোটর চুরি হয়। এ ঘটনায় শংকর চন্দ্র মণ্ডলকে সন্দেহ করেন ওয়াজেদ।

গত ৮ আগস্ট রাতে ওয়াজেদ শংকরকে তার কার্যালয়ে নিয়ে যেতে বলেন। পরে শংকরের বাবা ও প্রতিবেশী দুলাল ও জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে রাত ৮টার দিকে তারা ওই কার্যালয়ে যান। সেখানে শংকরের বাবাকে চলে যেতে বলা হয়। পরে দুলাল ও জিয়াকেও চা খেতে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে বাইরে পাঠানো হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, এরপর ওয়াজেদ ও তার সহযোগীরা শংকরকে কার্যালয়ের ভেতরে আটকে রেখে মোটর চুরির অপবাদ দেন। একপর্যায়ে তার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়।ওয়াজেদ কাঠের লাঠি দিয়ে শংকরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। অন্যরা লোহার রড দিয়ে তাকে মারধর করেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মারধরের একপর্যায়ে শংকর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুলাল ও জিয়াকে ডেকে তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ওই রাতে তাকে হাসপাতালে নিতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয়ভাবে তার চিকিৎসা চলতে থাকে। পরদিন ৯ আগস্ট ভোরে শংকরকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে অর্থাভাবে তাকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

১৫ আগস্ট ভোর ৫টার দিকে বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শংকর মারা যান। খবর পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশ তার মরদেহের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। শংকরের বাবা এ ঘটনায় বাদী হয়ে ধামরাই থানায় হত্যা মামলা করেন।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেপ্তার
মামলা হওয়ার পর র‍্যাব ঘটনাটির ছায়াতদন্ত শুরু করে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালানোর একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারে অভিযান চালানো হয়।

র‍্যাব জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্যে ভিত্তিতে র‍্যাব-৪-এর সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্প, সাভার এবং র‍্যাব-১৫-এর সদর কোম্পানির যৌথ দল ২৬ আগস্ট রাতে কলাতলী ডলফিন মোড়সংলগ্ন ময়না রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান চালিয়ে ওয়াজেদকে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওয়াজেদ ওই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছে র‍্যাব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

Categories

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: SISA IT